পোস্টগুলি

তীর্থঙ্কর ওঝা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র শিল্প ।। তীর্থঙ্কর ওঝা

ছবি
১৯৮৭ সালের ৫ মার্চ পুরুলিয়া জেলার হুটমুড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তীর্থঙ্কর ওঝা। পিতার কর্মসুত্রের কারণে এবং তাঁর ( আলোকচিত্র শিল্পীর ) শিক্ষার জন্য একসময় তাঁর পিতা তাঁকে নিয়ে পুরুলিয়া শহরে চলে আসেন এবং তাঁকে ভর্তি করে দেন হোলি চাইল্ড স্কুলে। তারপর তিনি শিক্ষা গ্ৰহণ করেন পুরুলিয়া শহরেরই চিত্তরঞ্জন স্কুলে।                  স্কুলের গন্ডি পার হয়ে পুরুলিয়ার সুপরিচিত জে. কে. কলেজে ভর্তি হন কলা বিভাগে। এখান থেকেই গ্ৰ্যাজুয়েট হয়ে ওঠেন তিনি। তারপর পোস্ট গ্রাজুয়েট করেন ডিপ্লোমা ইন রুরাল ডেভেলপমেন্টের ওপর। বর্তমানে একটি স্কুলে শিক্ষকতার কাজে যুক্ত রয়েছেন।                     প্রথম দিকে একটা সময় ইউরো অরগানিক্স, ডিপিপিএল, এবং ইউফোরিকের মতো ড্রাগ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। তবে ছোটবেলা থেকেই আঁকার প্রতি ঝোঁক ছিল অদম্য। আদ্য, মধ্য এবং পূর্ণ তিনটি পরিক্ষাতেই বেশ ভাল ফলও করেছিলেন। তারপর একটু একটু করে সরে গেলেন আঁকা থেকে। এখন আঁকা হলেও আর রঙ তুলিতে হয় না, হয় ক্যামেরাতে।                     ছবি তোলার হাতে খড়ি বাবার কাছে। কিন্তু ছবি তোলার জন্য ...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। তীর্থঙ্কর ওঝা

ছবি
১৯৮৭ সালের ৫ মার্চ পুরুলিয়া জেলার হুটমুড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তীর্থঙ্কর ওঝা। পিতার কর্মসুত্রের কারণে এবং তাঁর ( আলোকচিত্র শিল্পীর ) শিক্ষার জন্য একসময় তাঁর পিতা তাঁকে নিয়ে পুরুলিয়া শহরে চলে আসেন এবং তাঁকে ভর্তি করে দেন হোলি চাইল্ড স্কুলে। তারপর তিনি শিক্ষা গ্ৰহণ করেন পুরুলিয়া শহরেরই চিত্তরঞ্জন স্কুলে।                  স্কুলের গন্ডি পার হয়ে পুরুলিয়ার সুপরিচিত জে. কে. কলেজে ভর্তি হন কলা বিভাগে। এখান থেকেই গ্ৰ্যাজুয়েট হয়ে ওঠেন তিনি। তারপর পোস্ট গ্রাজুয়েট করেন ডিপ্লোমা ইন রুরাল ডেভেলপমেন্টের ওপর। বর্তমানে একটি স্কুলে শিক্ষকতার কাজে যুক্ত রয়েছেন।                     প্রথম দিকে একটা সময় ইউরো অরগানিক্স, ডিপিপিএল, এবং ইউফোরিকের  মতো ড্রাগ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। তবে ছোটবেলা থেকেই আঁকার প্রতি ঝোঁক ছিল অদম্য। আদ্য, মধ্য এবং পূর্ণ তিনটি পরিক্ষাতেই বেশ ভাল ফলও করেছিলেন। তারপর একটু একটু করে সরে গেলেন আঁকা থেকে। এখন আঁকা হলেও আর রঙ তুলিতে হয় না, হয় ক্যামেরাতে।                     ছবি তোলার হাতে খড়ি বাবার কাছে। কিন্তু ছবি তোলার জন্য ...