পোস্টগুলি

আলোকচিত্র লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। সন্দীপ কুমার

ছবি
সন্দীপ কুমার। আমাদের বন্ধু।  আলোকচিত্র শিল্পী। একজন কবি। তিনি কলম দিয়ে যেমন লেখেন তেমনই ক্যামেরাও তাঁর কলম। ক্যামেরা ও কলমে তিনি শাদাকালো  রহস্য সৃষ্টি করেন।  তাঁর রহস্যের ভুবন তিন ভুবনের তিন কোণে। মাকড়সা জাল বুনলেও সেই সমস্ত কোণে কলমের আঁচড়। ক্যামেরার চোখ।  সন্দীপ কুমার আমাদের বন্ধু।  তাঁর ক্যামেরা ও কলম থেকে  আমরা শিল্পের শুশ্রূষা পাই। তাঁর  নিশান উড়ছে। উড়বেই। মূল পাতায় যান।

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। অজয় মাহাত

ছবি
আলোকচিত্রী ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর পুরুলিয়া জেলার কাশিপুর থানার অন্তর্গত রামবনী গ্রামে একটি চাষি পরিবারে জন্ম আলোকচিত্র শিল্পী অজয় মাহাত-র। পিতা সুনীল কুমার মাহাত। মাতা শিবানী মাহাত।            তাঁর ছবি তোলা শুরু কলেজ জীবনে। বন্ধু দেবমাল্য মাহাত-র তোলা একটা ছবি দেখে প্রথম ছবি তোলার জন্য অনুপ্রাণিত হয়ে ওঠেন তিনি। পরবর্তীকালে কবি নির্মল হালদারের সান্নিধ্য লাভ ও বার বার বিখ্যাত আলোকচিত্র শিল্পী সন্তোষ রাজগড়িয়া মহাশয়ের ছবির মুখোমুখি হওয়া ছবি তোলার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে তাঁকে। তিনি গ্রামের ছেলে, গ্রাম্য জীবনের প্রতি খুবই আকর্ষণ অনুভব করেন সে কারণেই। তাই তাঁর ছবিতেও গ্ৰাম-জীবনের নানা ছবির সমারোহ চোখে পড়ে। এই সিরিজে তাঁর প্রথম দিকের তোলা কিছু সেই ধরণেরই ছবি দেওয়া হলো। আশা করি অরন্ধনের বন্ধুদের মনে জায়গা করে নিতে সক্ষম হবে ছবিগুলো। উত্তম মাহাত, সম্পাদক  মূল পাতায় যান।

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। মনি দাস

ছবি
এক মেদিনীর দুই পারে ‘কিরে তোর হাতের খাঁড়া কই?’ -গায়ের রং কালো, তাই, এই বলে খেপাতো সবাই রাস্তাঘাটে। যখন তিনি ঘরে ফিরতেন পড়ন্ত দুপুরে ১৫-১৬ টা গরুকে গুটিয়ে। স্কুলের ফাঁকে বা স্কুল ফাঁকি দিয়ে এটাই ছিল তাঁর অন্যতম কাজ। আরো ছিল, যেমন চাষের কাজে বাবাকে সাহায্য করা, রান্নার কাজে মাকে সাহায্য করা, ধান ঝাড়া, গোলা গোছানো আর ছোট ভাইকে সামলানো। এসবের মাঝে পড়াশোনা সত্যিই যে কতটুকু হতো আর কতটুকুই বা মাথায় ঢুকতো কে জানে! আর এটাও কেউ জানতেন না যে, বাড়িতে কেউ এলে বা কোথাও কারুর বাড়িতে যাওয়ার হলে কেন লুকিয়ে পড়তেন তিনি ঘরের কোণে! সেটা লজ্জা ছিল, না ভয়, নাকি কুন্ঠা? হয়তো বা সবকিছুই একসঙ্গে। ১৪ বছর পর আজও হয়তো পাল্টায়নি কিছুই, প্রেক্ষাপট আর অনুষঙ্গ ছাড়া। তবে এখন নতুন কোন জায়গা এক্সপ্লোর করতে বা কারোর সাথে যেচে আলাপ করতে কোন লজ্জা হয় না তাঁর। তাই আজ আর কেউ তাঁর হাতের খাঁড়ার খোঁজ করে না। বরং জিজ্ঞেস করে ‘কিরে মনি তোর ক্যামেরা কোথায়? দিবি একটা ছবি তুলে!’ দিল্লিতে চলে যাওয়ার পর জীবনের ঝড় জল রোদে পুড়ে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে তাঁর সেই কালো রং। তাই রং-এর দুঃখ আজ আর ততটা নেই যতটা আছে একটা বড়সড...