শ্রীসদনে দৈনন্দিন - ২
শ্রীসদনে দৈনন্দিন - ২ মধুপর্ণা স্মৃতির উত্তরাধিকার এক অদ্ভুত বায়বীয় বাস্তব। শ্রীসদনে যে ছাত্রীরা থেকেছেন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কথা বলার চেষ্টা করছিলাম বেশকিছু মাস যাবত৷ স্মৃতির সাঁকো বেয়ে একটা সামগ্রিক ধারাবাহিকতার ছবি দেখার ইচ্ছায়। রবীন্দ্রসমকালে এবং পরবর্তীতে ছাত্রীদের শান্তিনিকেতনবাস এবং আবাসজীবনের স্মৃতি বিষয়ে বইপত্র বিস্তর। যাঁরা বিগত, তাঁদের কথা সেইসব বইপত্র থেকে জানা গেছে। কিন্তু যাঁরা বর্তমানে রয়েছেন এবং একটা সময় কাটিয়েছেন শান্তিনিকেতনে, শ্রীসদনে তাঁদের কাছ থেকে জীবন্ত মণিমাণিক্য মিলেছে বহু। শ্রীসদনের আাবসিকাদের সঙ্গে যখন দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে, আবাসজীবনের প্রসঙ্গে একটা উচ্ছ্বাস ঝরে পড়ে তাঁদের মুখের মনিটরে, কথায়, স্বরে। অপরিচিত তরুণী নিমেষে চেনা হয়ে যায়, বিচিত্র গল্প বলে যান সহজেই। সেইরকম এক কথোপকথন থেকে কিছু অংশ … “বর্ষে বর্ষে দলে দলে, আসে বিদ্যামঠ তলে / চলে যায় তারা কলরবে...” গুনগুন করছিলেন তিনি। “ তারপর শোনো, আমার যিনি রুমমেট ছিলেন দারুন গান গাইতেন তিনি,পরবর্তীতে অবশ্য সেসব পাঠ চুকে যায় “, “ ওয়েটিং রুমটা এখনও সেরকমই আছে নাকি...