পোস্টগুলি

অরন্ধন লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পঞ্চম বর্ষ ।। তৃতীয় ওয়েব সংস্করণ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩১ ।। ০২ অক্টোবর ২০২৪

ছবি
মহালয়ার শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাই সকলকে। ভালো থাকুন সকলেই। পুজোর দিনগুলো আনন্দে কাটুক। ______________________________________________                           আমাদের বই কবিতা   যশোধরা রায়চৌধুরী  শুভাশীষ ভাদুড়ী  দীপান্বিতা সরকার  মনীষা মুখোপাধ্যায়  সম্রাট সেনগুপ্ত  প্রীতম বিশ্বাস  গৌতম কুমার গুপ্ত  দেবযানী ঘোষাল  পর্ণা দাশগুপ্ত  নূপুর রায় ( রিনঝিন ) দেবাশীষ সরখেল  অঙ্কন রায়  রূপক চট্টোপাধ্যায়  শুভজিৎ মাহান্তী গদ্য তপন পাত্র  ডরোথী দাশ বিশ্বাস  ময়ূখ দত্ত ______________________________________________ আমাদের কথা  যোগাযোগ করুন  ______________________________________________

পঞ্চম বর্ষ ।। দ্বিতীয় ওয়েব সংস্করণ ।। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ ।। ২৭ মে ২০২৪

ছবি
বীজ বোনার কাজ শুরু হলে ব্যস্ততা বাড়ে চাষির। ব্যস্ততা বাড়ে মেঘের। আকাশ মাটির এই ব্যস্ততাই পরিপক্ক ফসলের দিকে নিয়ে যায় আমাদের।           গ্রীষ্মের দাবদাহ শেষে এই যে ঘাম ঝরা ব্যস্ততা, এই ব্যস্ততাই ধীর পায়ে দীর্ঘায়িত হতে হতে নিয়ে আসে হেমন্তের শীতল ছোঁয়া। নিয়ে আসে এক অপরূপ আনন্দ মুখর পরিবেশ। যে পরিবেশের স্পর্শ পাওয়ার লোভে সারা বছর অপেক্ষায় থাকে মানুষ।            চারপাশে সোনালী ধান। রুনুঝুনু আওয়াজ মিশে যায় পাখিদের গানে। বাতাসের তানে। পাল্টে যায় জীবনের মানে আমাদের। আরও লক্ষ বছর অতিক্রান্ত করার সাধ জাগে। সাধ জাগে একটা সুবিশাল পরিবারের সদস্য হয়ে থাকতে জন্ম জন্মান্তর। মানুষের সাথে সাথে হাঁস, মুরগি, বকনা বাছুর, কেন্নো, গোবরে পোকা এবং মাঝে মাঝে বিড়ালেরাও ঘুরে বেড়ায় যে আঙিনায়। যে আঙিনায় বছরের একটা নির্দিষ্ট সময়ে এসে নির্ভয়ে বাসা বাঁধে টুনটুনি পাখি।            সেই আঙিনা ছাড়া সুখের এই মৌলিকতা আর কোথায়?              উত্তম মাহাত, সম্পাদক ______________________________________________ যাঁদের লেখায় সমৃদ্ধ হলো এই সংস্করণ ______________________________________________ দুর্গা দত্ত...

পঞ্চম বর্ষ ।। প্রথম ওয়েব সংস্করণ ।। ২৩ বৈশাখ ১৪৩১ ।। ৬ মে ২০২৪

ছবি
এমন একটা দোলাচলের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছি যেখানে সত্য মিথ্যার বিচার করা কঠিন হয়ে উঠছে। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা অহরহ মিথ্যাকেই সত্য হিসেবে প্রতিস্থাপন করে চলেছে জনসমক্ষে। তারা ভেবেই নিয়েছে, মানুষ সম্পূর্ণরূপে মুর্খ, ব্যক্তিত্বহীন। যেভাবে বোঝানো হবে, সেভাবেই বুঝবে। যেভাবে চালানো হবে সেভাবেই চলবে। হাতে অবস্থানরত মাটির পুতুলের মতো হাতের ইশারায় নাচবে সবসময়। কিন্তু একটা বিষয় মনে নেই তাদের, মানুষ বা জনগণ হাঁসের ঠোঁটের মতো। একসঙ্গে জল ও খাদ্যকে ঠোঁটে পুরে খাদ্যকে আলাদা করে জলকে অনায়াসে ফেলে দেয়। সেই ক্ষমতা তাদের আছে। এবং ওই ক্ষমতা আছে বলেই ভারতবর্ষে বহু সময় বহু বহিরাগত জাতি রাজত্ব করতে এলেও শেষ পর্যন্ত এখানকার মানুষ স্বাধীন। এবং এই স্বাধীনতা তাদের রক্তের কণায় কণায় রয়েছে। বর্তমানের সমস্ত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে আবার এখানকার মানুষ মাথা তুলে দাঁড়াবে এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।             পদযাত্রা শুরুও হয়েছে। একে একে তেহারে জায়গা হচ্ছে নাটের গুরুদের। বাংলা তথা দেশকে যারা চুরির পিঠস্থান বলে ভাবার দুঃসাহস দেখিয়েছিল। তাদের পায়ের ধুলি পড়ছে না আর বাংলার রাস্তায় রাস্তায়। যে রাস্তায়...

চতুর্থ বর্ষ ।। চতুর্বিংশতি ওয়েব সংস্করণ ।। ২৫ চৈত্র ১৪৩০ ।। ০৮ এপ্রিল ২০২৪

ছবি
বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়াই কোন পরিবারের বাচ্চার স্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে ওঠার পর সেই বাচ্চার বাবা-মা গৌরবান্বিত হয়ে প্রতিবেশীদের কাছে নিজেদের বড়াই করে বেড়ান যে, বহু কষ্টে বহু যত্নে বহু বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্য দিয়ে সন্তানের উন্নতি ঘটিয়েছেন তাঁরা। ঠিক সেভাবেই ভোটের মুখে নিজেদের বড়াই করে বেড়াচ্ছেন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা। কোন বিশেষ অঞ্চলের জন্য কোনকিছু বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ না করেও সেই অঞ্চলের উন্নতি নিয়ে নিজেদের নাম-গান করছেন দিনের পর দিন। যেন তাঁদেরই বিশেষ পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে সেই অঞ্চলের উন্নতি সাধন সম্ভব হয়েছে।               আসল কথা বলতে গেলে, কোন উন্নয়নশীল দেশের বিশেষ কোন একটা পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের চারপাশের অঞ্চলগুলো, সে ভিন্ন রাজ্যের হোক বা নিজ রাজ্যের, অর্থনৈতিক দিক থেকে এগিয়ে থাকলে মাঝখানে থাকা সেই পিছিয়ে পড়া অঞ্চলেরও স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংঘটিত হয়। এবং সেই উন্নয়ন সংঘটিত হয় সেখানকার অধিবাসীদের প্রচেষ্টাতেই। কিন্তু রাজনৈতিক নেতা নেত্রীরা তখন সেই অঞ্চলের উন্নয়নকেও নিজেদের প্রচেষ্টার ফসল বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এবং বড়াই করতে থাকেন যে...