পোস্টগুলি

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। চিত্রশিল্প ।। দেবাশীষ সাহা

ছবি
১৯৭১ সালের শুভক্ষণে জন্ম গ্ৰহণ করেন আমাদের প্রিয় চিত্রশিল্পী দেবাশীষ সাহা। তিলোত্তমা কলকাতা মহানগরীর নাকতলাতে বসবাসকারী এই মানুষটা সম্পর্কে বলতে গেলে প্রথমেই যেটা বলতে হয়, তা হলো তাঁর সরলতার কথা। অত্যন্ত সহজ সরল এই মানুষটা নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতেই পছন্দ করেন বেশি। শিল্পকলার কাজ করতে করতে কখন যে ভোর হয়ে যায় খেয়াল থাকে না। এমনও হয়, ভোর সাড়ে চারটাতে ঘুমোতে গেলেন তিনি।          তিনি মূলত চিত্রশিল্পী হলেও এবং বিভিন্ন সময়ে ছবি প্রদর্শনী করলেও সেটাকে পেশাগতভাবে রাখেননি। এটা তাঁর নেশা। পেশা হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছেন প্রচ্ছদ নির্মাণের কাজকে। যা অন্য মাত্রার আরেক শিল্প। চিত্রশিল্পেরই ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। ফলে প্রচ্ছদ শিল্পকেও অনায়াসে তিনি অন্য একটা মাত্রা দান করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর নির্মিত প্রচ্ছদ দেখলে অবাক না হয়ে পারা যায় না। বিখ্যাত অবিখ্যাত বহু কবি লেখকদের সব বইয়ের সৌন্দর্য বর্ধন করে রয়েছে তাঁর অসামান্য সব কাজ। এবার তাঁরই কিছু অসামান্য লাইন ড্রইং তুলে ধরা হলো আপনাদের জন্য। উত্তম মাহাত, সম্পাদক  মূল পাতায় যান 

চতুর্থ বর্ষ ।। সপ্তদশ ওয়েব সংস্করণ ।। ১৭ অগ্ৰহায়ণ ১৪৩০ ।। ৪ ডিসেম্বর ২০২৩

ছবি
যখন সম্ভাবনা থাকে মাছের, কতজন জল ঘোলা করে। চারদিকের শ্যাওলা, নলখাগড়ার দলকে ওলট পালট করে এদিক থেকে সেদিকে। ভোর হতেই খবর যায় পাড়ায় পাড়ায়। ধুন্ধুমার কাণ্ড। জনে জনারণ্য পুকুর।             কিছুদিন এভাবেই চলে। কাদা ছিটিয়ে, ঘোলা জল ছিটিয়ে মাছ ধরার প্রয়াস। এর তার গায়ে কাদা লাগতে লাগতে পাতলা হয়ে এলে মাছ, ভেতর ভেতর পরিকল্পনা শুরু হয় নতুন মাছ ছাড়ার। ভালো জাতের মাছ। ভালো লভ্যাংশ দিতে পারবে এমন জাতের। তখন ডাক দেওয়া হয়। কে বেশি উচ্চবাচ্য করতে পারে, সেই আশায়।                 পুকুরে মাছ ছাড়ার অনুমতি পেলে শুরু হয় নির্বাচন... উত্তম মাহাত, সম্পাদক  ______________________________________________ যাঁদের লেখায় সমৃদ্ধ হলো এই সংস্করণ ______________________________________________ পঙ্কজ মান্না / সুজন পণ্ডা / রূপক চট্টোপাধ্যায় / সুশান্ত সেন / শ্যামাপদ মাহাত বাঁশি / ময়ূখ দত্ত / ইন্দ্রনীল মজুমদার / _____________________________________________ আমি থাকব না পঙ্কজ মান্না আমি থাকব না, হয়তো তুমিই কালের আঁধার চিরে পৃথিবীর বুকে হাজির করবে নতুন দিনের আলো  আর পরপার থেকে ঠিক জেনে যাবো তোর মা-র চোখে আশা-...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। চিত্রশিল্প ।। আশীষ নন্দী

ছবি
চিত্রশিল্পীর নিজের ভাষায় নিজের শিল্প জীবন শিল্প নিয়ে কি আর বলি ,আসলে আমি প্রথাগত শিক্ষায় শিক্ষিত নই ,আমি অনেকটা সেই আদিম শিল্পীর মতো , যে আপনমনে তার ঘরের দেওয়ালে ছবি আঁকতো।।।।।।।।।।।।।আমার দাদু ছোটো ছোটো মাটির পুতুল গড়তো,দাদু কে পাইনি।কিন্তু তাঁর পুতুল গুলো পেয়েছিলাম।আর সেগুলো ভেঙ্গে ভেঙেই ----------।অবশ‍্য একটু বড় হওয়ার পরে, অনেকপরে মাটির কাজ করেছি, আমলাপাড়ার বুবুন আর আমি মূর্তি গড়তাম।আমার মাটির কাজ ওর কাছেই শেখা। পরে আর মাটির কাজ করিনি।তবে ছবিটা আঁকতাম,মনের আনন্দেই আঁকতাম, সে অর্থে আমার আঁকার কোনো গুরু নেই। কিভাবে কি করতে হয় জানতাম না। অবশ‍্য আজও যে জানি সে দাবি করিনা আমি।আমি যেটুকু শিখেছি তা সময়ের পাঠশালায়। জীবনের চলারপথে যখন যা পেয়েছি আমি কুড়িয়ে নিয়েছি। ।।।।।।।।।জীবন জীবিকার সন্ধানে একসময় পুরুলিয়ার মাঠেঘাটে ,গ্ৰামে গঞ্জে অনেক ঘোরাঘুরি করতে হয়েছে ,তাই পুরুলিয়ার প্রকৃতির সাথে আমার গভীর বন্ধুত্ব। আমার জন্মভূমির প্রাকৃতিক বৈচিত্র ,শিল্পকলা ,পরব পার্বণ ই আমাকে শিল্পী তৈরি করেছে। আমি পুরুলিয়ার দেওয়ালচিত্রের সামনে দাঁড়িয়ে বারবার মুগ্ধ হয়ছি।তেমনি ধূধূ প্রান্তরের ঐ দূউউউউর থেকে ভেসে আসা ঝু...