পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তৃতীয় বর্ষ ।। চতুর্দশ ওয়েব সংস্করণ ।। ৬ কার্তিক ১৪২৯ ।। ২৪ অক্টোবর ২০২২

ছবি
পরব তিহার বা সংস্কৃতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠান কেবলমাত্র আমাদের জীবনকে আনন্দে মুখরিত করে তোলে তাই নয়, আমাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনকেও সুদৃঢ় করে তোলে। সেই মেলবন্ধনকে সুদৃঢ় করে তোলার লক্ষ্যেই হয়তো বারো মাসে তেরো পার্বণ। যে সকল পার্বণ নানা প্রয়োজনে নানা বাহানায় পরস্পরকে পরস্পরের কাছে নিয়ে আসে আমাদের। আর আমারা জড়িয়ে পড়ি নানা মায়ায়। কালীপূজা এলো। হাঁস কার ঘরে আছে গো? আলোচাল নিয়ে এসো না, ও পাড়ার ঢাঙি দিদির কাছ থেকে। পাঠ কাঠি মনে হয় মাহাত পাড়ার বড় ভাঁশুরটার ঘরেই পাবে। ওরা গত বছর পাঠ পচিয়েছিল। সব কি জ্বালিয়ে শেষ করবে? নিশ্চয় রেখেছে। কালীপূজায় দরকার পড়ে। এমনই সব প্রয়োজন সম্পর্ককে দৃঢ় করে আমাদের। আর সেই পারস্পরিক প্রয়োজনগুলো অনেকাংশেই নিয়ে আসে এইসব পরব পার্বণগুলো। এগুলো না থাকলে হয়তো আমরা পরস্পরের এত কাছে থাকতে পারতাম না। তাই, কে কি বললো তাতে কান না দিয়ে আমাদের উচিত আমাদের সংস্কৃতি ও পরব তিহারকে ধরে রাখা। যাতে পরস্পর কাছে থাকতে পারি আমরা। উত্তম মাহাত, সম্পাদক ______________________________________________ যাঁদের লেখায় সমৃদ্ধ হলো এই সংস্করণ ______________...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। চিত্রশিল্প ।। জয়দীপ নুনিয়া

ছবি
জীবনপঞ্জি নয়, একজন শিল্পীর আসল পরিচয় তাঁর শিল্পকর্মে। শিল্পকর্ম দেখেই তাঁকে চেনা যায়, তাঁকে জানা যায়। তাঁকে বিশ্লেষণ করা যায় সঠিকভাবে। জাতশিল্পীকে চিনে নেওয়ার জন্য বাড়তি কোনো কিছুর প্রয়োজন পড়ে না।  এমনই একজন স্বনামধন্য শিল্পী হলেন জয়দীপ নুনিয়া। রঙে রেখায় দক্ষ এই শিল্পীর কাজ দেখলে অবাক না হয়ে পারা যায় না। স্কেচে যে রকম দক্ষ, রঙ ছড়াতেও সেরকমই ওস্তাদ। বলিষ্ঠ ভাবনা সম্পন্ন এই শিল্পীর ছবিতে ছবিতে যুক্ত হয় এক অন্য মাত্রা।           উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা থানার মনমোহনপুর গ্রামে ১৯৮১ সালের ২০ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন জয়দীপ নুনিয়া। ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকার প্রতি অটুট আকর্ষণ লক্ষ্য করা যায় তাঁর মধ্যে। বড় হতে হতে সেই নেশা পেশায় পরিবর্তিত হয়। সুনিপুণ চিত্রশিল্পী হয়ে ওঠেন তিনি।            জল রঙ নিয়ে খেলতে ভালোবাসেন এই শিল্পী। রঙকে ছড়াতে দেন নিজের মতো করে। রঙ ছড়ানোর এই কৌশলকে রপ্ত করে এঁকে চলেছেন একের পর এক চিত্র। তারই একগুচ্ছ চিত্র তুলে ধরা হলো আপনাদের সামনে।          উত্তম মাহাত, সম্পাদক  জয়দীপ নুনিয়ার আরও ছবি দেখতে প্রবেশ করুন  এই ফেসবুক লিঙ্কে । মূল পাতায় যান।

তৃতীয় বর্ষ ।। ত্রয়োদশ ওয়েব সংস্করণ ।। ২৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।। ১০ অক্টোবর ২০২২

ছবি
ঋণের দায়ে হয়েছি সিঁধেল চোর। নিজের বাচ্চাদের খাবার চুরি করেও চালাচ্ছি সংসার। অথচ দক্ষ সাংসারিকের তকমা নিতে ফলাও করে বলে বেড়াচ্ছি সবার কাছে। পড়শিরা ভাবছে, এই এক সাংসারিক, এত ঋণের ভার মাথায়, অথচ কত আনন্দে কত উৎসবে দিন যাপন। কত কত টাকা খেলাচ্ছলে দিয়ে দিচ্ছে কত জনকে।     বৈরাগ্যভাব আনতে হবে। মনের মধ্যে সেই ভাব না এলে এত সরল, এত উদার, এত দিলখোলা হওয়া যায় না। জীবন যাপনে বস্তুর টান কমাতে কমাতে শূন্যে নিয়ে এলে বস্তুনিষ্ঠ হওয়া থেকে মুক্তি মেলে। তখন চটি পরেও মন্ত্রী হওয়া যায়। শাদা থান কাপড় পরেও রানি হওয়া যায়। করা যায় রাজ্য শাসন। কারো দানের টাকায় প্রজার বাড়ি নির্মিত হলে সেই বাড়ির ফলকে লেখা যায় নিজের নাম।             আমার এই বৈরাগ্য আমাকে বৈভবশালী বানিয়েছে। আমার এই বৈরাগ্য আমাকে শক্তিশালী বানিয়েছে। আমার এই বৈরাগ্যই আমার ঢাল শাসনে ও নাশনে স্বৈরাচারি হওয়ার। তাই বৈরাগী হয়েছি, সমাজের চোখে। হয়েছি সিঁধেল চোর। উত্তম মাহাত, সম্পাদক  ______________________________________________ যাঁদের লেখায় সমৃদ্ধ হলো এই সংস্করণ ______________________________________________ ন...