পোস্টগুলি

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। অভিজিৎ মাজী

ছবি
                          পরিচিতি   পুরুলিয়া জেলার বরাবাজার থানার অন্তর্গত ভাগাবাঁধ গ্ৰামে ১৯৮২ সালের ১ লা মে জন্মগ্ৰহণ করেন আলোকচিত্রী অভিজিৎ মাজী। পেশায় শিক্ষক এই আলোকচিত্র শিল্পীর ছোটবেলা কাটে গ্ৰামের অত্যন্ত সহজ সরল পরিবেশে বেড়ে ওঠা আর পাঁচটা ছেলের মতোই। ফলে তখন থেকেই গ্ৰামের পরিবেশের সাথে একটা মেল বন্ধন গড়ে ওঠে তাঁর। সামান্য বিষয়গুলোর মধ্যে খুঁজে পান বিশেষ গভীরতা। হাইস্কুলের গন্ডি পেরিয়ে যখন উচ্চ শিক্ষার জন্য শহরে পাড়ি দেন তখনও ফটোগ্ৰাফির দিকে খুব একটা ঝোঁক ছিল না তাঁর। বরং সে সময় কবিতা লেখার প্রতি বিশেষ অনুরাগ লক্ষ্য করা যায়। সেই কবিতা লেখার সূত্র ধরেই অনিকেত গোষ্ঠীর সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর। এম এ( ইংলিশ ), বি এড করার পর শিক্ষকতার কাজে যুক্ত হয়ে পড়েন তিনি। তবে এই সময় ফোটোগ্ৰাফির নেশা পেয়ে বসে তাঁকে। যখনই সুযোগ পান তখনই পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে খুঁজে আনেন প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে ভরা ভূমিরূপ এবং জনজীবনের ছবি। বিশেষ করে অযোধ্যা পাহাড় সংলগ্ন এলাকাতে গিয়ে প্রকৃতি সম্পর্কিত তাঁর ফটোগ্রাফির যে সিরিজ রয়েছে তা সকলেরই মন কাড়ে। পেশা নয় কেবল নেশার তাড়নায় তাঁর এই কাজ ...

চতুর্থ বর্ষ ।। ষষ্ঠ ওয়েব সংস্করণ ।। ১৭ আষাঢ় ১৪৩০ ।। ৩ জুলাই ২০২৩

ছবি
প্রকৃত রাজনীতি দেশ ও দশের উন্নয়নের কথা বলে। তাই প্রকৃত রাজনেতাও দেশ ও দশের কল্যাণে নিয়োজিত করেন নিজেকে। সেখানে তাঁর লাভ লোকসানের হিসেব থাকে না। লাভ লোকসানের যতটুকু কথা সে কেবল প্রজা কেন্দ্রিক। প্রজাদেরকে কেন্দ্র করেই উন্নয়নের বার্তা বয়ে যায় দিকে দিকে। কিন্তু সেই রাজনীতি যখন করে খাওয়ার রাজনীতিতে পা রাখে তখন দেশ ও দশের কল্যাণের পরিবর্তে কেবলমাত্র নিজেদের কল্যাণের কথায় ভেবে থাকেন রাজ নেতারা। ভাবতে থাকেন, কি করে একবার পাওয়া সুযোগে পরবর্তী চার প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা যায়। আর সেখানেই রাজনীতিতে ঢুকে পড়ে তুষ্টিকরণ ও স্বেচ্ছাচারিতা। রাজ নেতারা এখানে হয়ে ওঠেন পুরোপুরি আত্মকেন্দ্রিক। আমাদের সোনার বাংলা বর্তমানে সেই দ্বিতীয় পর্যায়ের মধ্য দিয়েই এগিয়ে চলেছে ভবিষ্যতের দিকে। তাই বর্তমান সময়ে এসে রাজ নেতাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করাটা সমীচীন হবে বলে মনে হয় না।                তবে ধীরে ধীরে বীজ বপন করতে শুরু করলে, আবর্তিত হতে হতে একটা সময় অবশ্যই প্রথম পর্যায়ে গিয়ে পা রাখবো আমরা। সেই আশা নিয়েই এগোতে হবে আমাদের। সমস্ত কিছুকে উপেক্ষা করে এগোতে হবে লক্ষ্যের দিকে। লক্ষ্য একটাই, ক...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। চিত্রশিল্প ও ভাস্কর্য ।। উজ্জ্বল মাহাত

ছবি
ভাস্কর উজ্জ্বল মাহাত-র জন্ম ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১৩ জুন। পুরুলিয়া জেলার কাঁসাই নদীর ধারে অবস্থিত চাকিরবন গ্রামের এক সাধারণ চাষি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পিতার নাম - নিরঞ্জন মাহাত, মাতা - লতিকা দেবী। ২০১২ সালে মাধ্যমিক ও ২০১৫ সালে উচ্চ-মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হওয়ার পর ব্যাচেলর অফ ফাইন আর্টসে ভর্তি হন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০২১ সালে সসম্মানে সেই পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর পুনরায় ওই বিশ্ববিদ্যালয়তেই ভর্তি হন মাস্টার অফ ফাইন আর্টসে। বর্তমানে সেখানেই তিনি শিক্ষানবিশ।               যে সকল ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করেছেন তিনি। ১/ উড কার্ভিং, অতিথি শিল্পী ছিলেন - কার্ল এন্টো, কলা ভবন, বিশ্বভারতী, শান্তিনিকেতন - ২০১৮ ২/ উড কার্ভিং, অতিথি শিল্পী ছিলেন - প্রবীর পাল, কলা ভবন, বিশ্বভারতী, শান্তিনিকেতন - ২০২২ ৩/ টেরাকোটা, অতিথি শিল্পী ছিলেন - থেট্রি মংকিউ, কলা ভবন, বিশ্বভারতী, শান্তিনিকেতন - ২০২২ ৪/ ছো মুখোশ নির্মাণ, চড়িদা, বাগমুন্ডি, পুরুলিয়া - ২০১৯ ৫/ ডিসকার্ডেড ম্যাটেরিয়ালস ডিসকালচার, নগর নিগম, রায়পুর, ছত্রিশগড় - ২০১৮ ৬/ ডোকরা কাস্টিং, অতিথি শিল্পী ছিলেন - মুকুল কর্মকার, কলা ভবন, বিশ্বভা...