পোস্টগুলি

চতুর্থ বর্ষ ।। একবিংশতি ওয়েব সংস্করণ ।। ২৮ মাঘ ১৪৩০ ।। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ছবি
ভোট আসে ভোট যায়, রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে উন্নয়ন। দেশে স্কুল কমে, মন্দির বাড়ে। বাড়ে মসজিদ। স্কুল শিক্ষকের জায়গায় সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে ওঠে মৌলবী, পুরোহিত। ছাত্রদের শিক্ষায় মেধাবৃদ্ধির বদলে মেধাবৃত্তি ঘটে ইউটিউবে। বিজ্ঞানীর বদলে সংসদ ভবন উদ্বোধনে আসেন হিমালয়ান সাধু। তারপরও থেমে থাকে উন্নয়ন?          ১০০ দিনের টাকা খানিক কেটে খানিক দেওয়া হয় জবকার্ড হোল্ডারদের। মামলা ঠুকে বন্ধ করে দেওয়া হয় আবাস যোজনা। দু'বছর পড়ে থেকেও একই থাকে টাকার পরিমাণ। কাঁচামালের দাম বাড়ে তিনগুণ। পোক্ত হবে না গরীবের আবাস? থেমে থাকে উন্নয়ন?          চাষির নিজের জমির মাটি নিজের জমিতেই স্থানান্তর করণে প্রশাসনিক বাধা। নিজের জমিতেই নিজের মাটি দিয়ে ইট প্রস্তুতিতে চড়া কর। একই ট্রেনের একই গতি একই মতি রেখে কেবল নাম পরিবর্তন করে যাত্রীর পকেট খালি করার পরিকল্পিত ব্যবস্থা গ্ৰহণ। তারপরও থেমে থাকে উন্নয়ন?        আমরা এক আজব দেশের নাগরিক। যেখানে কোটি কোটি মানুষ অভুক্ত থাকে। থাকে ফুটপাতে। অথচ আরাম কেদারায় বসে আরাম করে পোষ্য। পোষ্যের পেটে যায় বিরিয়ানি, কোরমা। আমি সর্বস্ব রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বন্যায় ভাসতে থাকা নাগর...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। দীপাঞ্জন চক্রবর্ত্তী

ছবি
                                     আলোকচিত্রী  প্রখ্যাত আলোকচিত্রী দীপাঞ্জন চক্রবর্ত্তী মূলত স্ট্রিট এবং ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফি করে থাকেন। তাঁর বয়স নিতান্তই কম। ২৬ বছর। পড়াশোনার পাঠ শেষ করে উঠতে পারেননি এখনও। বর্তমানে তিনি IAS পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি একজন অপেশাদার আলোকচিত্রী।          ভারতের বাইরে ইটালী, রোমানিয়া, আরব, জার্মানি ইত্যাদি দেশে একাধিকবার তাঁর ছবি প্রদর্শিত হয়েছে । ২০২২ সালে তিনি UNESCO Photographer of the year পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং Paris-এর UNESCO Head Office এও তাঁর ছবি প্রদর্শিত হয়েছে ইতিমধ্যেই। এছাড়াও দেশ বিদেশের বহু খ্যাতনামা পত্র পত্রিকায় তাঁর বিভিন্ন ছবি একাধিকবার প্রকাশিত হয়েছে। LensCulture, 121clicks, Edge of Humanity, musee magazine তার মধ্যে অন্যতম। এছাড়াও বর্তমানে তিনি ভারতের একটি প্রথম সারির ফেসবুক ফটোগ্রাফি গ্রুপ 'Pure Picture' এ admin হিসাবে রয়েছেন বলেও জানা যায় ।            এবার আমরা সেই প্রখ্যাত আলোকচিত্রীর বেশ কিছু ছবি তুলে ধরলাম আমাদের ছবি প্রদর্শ-শালাতে। আপনাদের জন্য। আশা রাখি এইসব ছবি দেখে আপ্লুত হবেন আপনারা। উত্তম মাহাত...

চতুর্থ বর্ষ ।। বিংশতি ওয়েব সংস্করণ ।। ১৪ মাঘ ১৪৩০ ।। ২৯ জানুয়ারি ২০২৪

ছবি
কর্মের তুলনায় পুরস্কারের সংখ্যা বেশি বা বড় হয়ে গেলে দায় হয়ে ওঠে বহন করা। লজ্জানুভব হয়, পরবর্তী ক্ষেত্রে। অনুশোচনা তৈরি করে বৈকি? তারপরও এইসব নিয়ে একটা জটিল রাজনীতি ঘুরপাক খেতে থাকে সমস্ত সৃষ্টিশীল জগতে। সাহিত্য শিল্পের প্রতিটা আঙিনায় চলে গেরিলা যুদ্ধ। কে পাবে কে পাবে না এই নিয়ে নানা ফন্দি ফিকির।         ২০২৪ এর বই মেলাতে আমার এক কবি বন্ধু ঠাট্টা করে বলে,"কি গো ক'টা পুরস্কার পেলে?" ------কে বললো তোমাকে?  ------বলবে কে? ফেসবুকে ছবি দেখলাম তো। ------ও সেইটা? সেটা তো আমার না। ------তাই? ------হ্যাঁ। ------না গো। ঠাট্টা করে বললাম। আমি জানি ওটা তোমার না। এখন সাতটা বই লিখে নয়টা পুরস্কার পাচ্ছে তো অনেকেই, তাই!            পিছন থেকে একজন এসে হাত ধরে বলে,"তুমি উত্তম মানে কল্পোত্তম তাই না? 'অরন্ধন' করো?"            ভ্যাবাচেকা খেয়ে উত্তর দিই-----হ্যাঁ। কিন্তু কিছুতেই মনে করতে পারি না, সে কে? লজ্জায় রাঙা হয়ে যায় মুখটা। ও চিনলো, আমিই চিনতে পারলাম না? লজ্জাজনক। কী ভাববে ও? ভুল ভাববে না তো?            ভালোবেসে বই দিতে গেলেও কেউ কেউ নেয় না। বই তো অনেক ভার...