পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রথম বর্ষ ।। দ্বাদশ ওয়েব সংস্করণ ।। ৪ মাঘ ১৪২৭

ছবি
ভয়ঙ্কর করোনার দু'দুটা সুদ্ধ ভারতীয় ভ্যাকসিন আসায় স্বস্তির নিশ্বাস নিল সরকার। আর যাই হোক, বিরোধীদের, সবচেয়ে বড় কথা সাধারণ মানুষের সামনে কিছু একটা বলার সুযোগ এলো আগেভাগে। একুশের ভোটের আগে রামলালা তাকালেন। তীরে এসে তরী ডোবার অমঙ্গুলে ঘটনাটা ঘটতে ঘটতে ঘটলো না। কি যে জবাব দেওয়া যায় এতশত মৃত্যুর, এই ভাবনাটা কুরে কুরে খাওয়ার আগেই জবাব এনে দিলেন তিনি। বা রে কপাল! একেই বলে সৌভাগ্য।           স্বস্তির নিশ্বাস কি ফেলতে পেরেছেন সাধারণ মানুষ? ভ্যাকসিন নেওয়ার মতো করে তৈরি কি হয়েছেন তাঁরা? নাকি খেটে খাওয়া মানুষের শরীরকে সেইভাবে হাইজ্যাক করতে পারবে না করোনা এই বিশ্বাসে নিশ্চিন্ত হয়েছেন তাঁরা?           ঘটনা যাই হোক, যেদিকেই গড়াক, স্বস্তির নিশ্বাস দেখা যাচ্ছে সমস্ত পলিটিক্যাল শিবিরেই। মিটিং, মিছিল, রেলি, বাইক মিছিল আর সামাজিক, ইলেকট্রনিকস বাকি সব মাধ্যমে প্রচার চালানো যাবে অনায়াসে। এটাই খুশির হাওয়া। কি আর চাই? উত্তম মাহাত, সম্পাদক বাঁদর নাচের গানে জীবন-জীবিকার ছবি                     ...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। চিত্রশিল্প ।। আশীষ নন্দী

ছবি
৪ মাঘ ১৪২৭ / ১৮ জানুয়ারি ২০২১ চিত্রশিল্পীর নিজের ভাষায় নিজের শিল্প জীবন শিল্প নিয়ে কি আর বলি ,আসলে আমি প্রথাগত শিক্ষায় শিক্ষিত নই ,আমি অনেকটা সেই আদিম শিল্পীর মতো , যে আপনমনে তার ঘরের দেওয়ালে ছবি আঁকতো।।।।।।।।।।।।।আমার দাদু ছোটো ছোটো মাটির পুতুল গড়তো,দাদু কে পাইনি।কিন্তু তাঁর পুতুল গুলো পেয়েছিলাম।আর সেগুলো ভেঙ্গে ভেঙেই ----------।অবশ‍্য একটু বড় হওয়ার পরে, অনেকপরে মাটির কাজ করেছি, আমলাপাড়ার বুবুন আর আমি মূর্তি গড়তাম।আমার মাটির কাজ ওর কাছেই শেখা। পরে আর মাটির কাজ করিনি।তবে ছবিটা আঁকতাম,মনের আনন্দেই আঁকতাম, সে অর্থে আমার আঁকার কোনো গুরু নেই। কিভাবে কি করতে হয় জানতাম না। অবশ‍্য আজও যে জানি সে দাবি করিনা আমি।আমি যেটুকু শিখেছি তা সময়ের পাঠশালায়। জীবনের চলারপথে যখন যা পেয়েছি আমি কুড়িয়ে নিয়েছি। ।।।।।।।।।জীবন জীবিকার সন্ধানে একসময় পুরুলিয়ার মাঠেঘাটে ,গ্ৰামে গঞ্জে অনেক ঘোরাঘুরি করতে হয়েছে ,তাই পুরুলিয়ার প্রকৃতির সাথে আমার গভীর বন্ধুত্ব। আমার জন্মভূমির প্রাকৃতিক বৈচিত্র ,শিল্পকলা ,পরব পার্বণ ই আমাকে শিল্পী তৈরি করেছে। আমি পুরুলিয়ার দেওয়ালচিত্রের সামনে দাঁড়িয়ে বারবার মুগ্ধ হয়ছি।তেমনি ধূধূ প্রা...

প্রথম বর্ষ ।। একাদশ ওয়েব সংস্করণ ।। ১৯ পৌষ ১৪২৭

ছবি
পৌষ মাস হলো গ্ৰাম বাংলার পার্বণের মাস। মাসের শুরুতে গ্ৰামের মেয়েরা টুসু পাতায়। তারপর প্রতিদিন একটা করে আলাদা আলাদা ফুল দিতে দিতে কখন যে শেষ হয়ে যায় মাস বোঝা যায় না।            গ্ৰাম বাংলার ঘরে ঘরে মুড়ি, চিড়ে, পিঠে পুলির জোগাড়ের সাথে সাথেই ঘরের সমস্ত কাপড় চোপড় কাচার কাজ চলতে থাকে। ঘরের মহিলাদের এতটুকু বিশ্রামের সুযোগ থাকে না এই মাসে। মকর ঢুব দিয়ে স্নান ঘাট থেকে নতুন কাপড় পরে এলে তবে বিশ্রাম।            পৌষ পার্বণ হলো গ্ৰাম বাংলার মহোৎসব। এই সময় নতুন ধান উঠে আসায় ঘরে ঘরে সচ্ছলতা। কারো কোনো অভাব নেই। যারা ভূমিহীন তারাও চাষির ঘরে দু'তিন মাস চাষের কাজ করে রোজগার করে কাঁড়ি কাঁড়ি ধান। সেই ধানের একাংশ বিক্রি করে জোগাড় করে সবকিছু। হাসি ফোটে সকলের মনে।          মকরের আগের দিন বাঁউড়ি। সেদিন বাঁউড়ি বেঁধে রাখে। পরের দিন বাঁউড়ি বাঁধা ঘটি নিয়ে গিয়ে মকর ঢুব দিয়ে জল নিয়ে আসে। সেই জল ছিটিয়ে দেওয়া হয় সারা ঘরে। ঘরদোর পবিত্র করা হয়। শান্তি বিরাজ করে ঘরে।          কথিত আছে, মকরের দিন ইঁদুরেরা নাক বিঁধায়। তাই অনেক ইঁদুর জড়ো হয়ে থাকে একটি গর্তে।সাঁওতাল, সহিস, মুন্ডারা সেই সু...