পোস্টগুলি

মে, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দ্বিতীয় বর্ষ ।। তৃতীয় ওয়েব সংস্করণ ।। ৯ জৈষ্ঠ্য ১৪২৮ ।। ২৪ মে ২০২১

ছবি
সংঘমিত্রা চক্রবর্তীর কবিতা ১. অক্সিজেন চাই চিঠির গন্ধে  ভাল হয়ে গেলো মন  তোমার ওমানে বৃষ্টি মুখর দিন  বাংলার মেঘে দূষণের পুরু সর  পুরনো স্মৃতিতে ডুব দেয় মালকিন।  আমার জীবনে ঝড়ে পড়ে গেছে ঘর                 পোষা টিয়াপাখি উড়ে গেছে খাঁচা খুলে  বাতাসে অবশ্য টান ছিল এলোমেলো  তাই তো কিছুটা বেঁচেছে ছিন্নমূলে !  ওখানে তোমার খবরের শিরোনাম  কী কী চোখে লাগে , মনে মনে রাগ লাগে ? আমার এখানে ঝাড়ামালগুলো সব  প্রয়োজন মত সুবিধাভোগীরা জাগে ! ২. ফাইট মাস্টার অল্পবিস্তর দেমাক থাকা ভাল  একটু গম্ভীর মানিয়ে যায় বেশ  ছ্যাবলা লোকগুলো এমন ঠোঁট চাটে  সুদিন ফিরে পেলে দেখাবে অনিমেষ  পিছনে মারবে না এমন জোরে লাথ  ফোঁকলা বুড়োদাদু বড্ড চুলকায়  আমি তো বসে আছি ফাইট মাস্টার  ম্যাজিক দেখবার স্বপ্ন ভরসায়!  তুমি কি দূরে দূরে পালাবে শয়তান  মিষ্টি কথা বলো ধান্দাবাজ যেন শ্রমিক ভাবো নাকি ? নাদান বোকামেয়ে  আমিও ডায়মন্ড , সোনায় সামলানো ! ৩. মন হাড় নেই, কাঁটাখোঁচা নেই, সহজ-সরল আবেগের অংশ...

দ্বিতীয় বর্ষ ।। তৃতীয় ওয়েব সংস্করণ ।। ৯ জৈষ্ঠ্য ১৪২৮ ।। ২৪ মে ২০২১

ছবি
মানুষ ভালো নেই। এই মৃত্যু মিছিল বহুদিন দেখেনি ভারতবর্ষের মানুষ। সরকারের ভুল ও হঠকারী সিদ্ধান্তের ফলে পরিবার নিঃশেষ হয়ে গেল অনেকের। সরকারি হিসেবের কম করে দশ গুণ বেশি মানুষ শুয়ে পড়লো ধরণীর বুকে। সহস্র লাসের বোঝা বইতে হলো গঙ্গাকে।          কে দেবে হিসাব গ্ৰামে গ্ৰামে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া মানুষের? কে বলবে এই সব মানুষের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ?             সুরক্ষার নামে এতদিন দিয়ে আসা কোভিডের ভ্যাক্সিন "কোভিশিল্ড"প্রমাণিত হলো সুরক্ষিত নয়। তাহলে কি দিল মানুষকে বাঁচানোর নামে?             সীমাবদ্ধ বিজ্ঞানের উন্নতি নিয়ে কিই বা লাভ? তার থেকে মানুষকে মানুষের মতো করে বাঁচতে দিলে যতদিন বাঁচতো শান্তিতে বাঁচতে পারতো হয়তো। বাতাসের অক্সিজেন দূষিত করে বহু টাকার বিনিময়ে ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা করাকে বিজ্ঞানের উন্নতি বলে মানতে হবে আমাদের? নাকি এই প্রচারের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে আরও সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম মানুষ মারার কৌশল।             বিজ্ঞানের বিরোধীতা না করেও একটা কথা পরিষ্কারভাবে বলা যায়, যেখানে পৃথিবীর বুকেই সুরক্ষিত নয় আমরা সেখানে ভিনগ্ৰহে গিয়ে কি করবো? বিজ্ঞান কি এখানেই দু'মুঠো ভাত দিতে...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। দীপাংশু মাহাত

ছবি
দ্বিতীয় বর্ষ ।। তৃতীয় ওয়েব সংস্করণ ।। ৯ জৈষ্ঠ্য ১৪২৮ ।। ২৪ মে ২০২১ ___________________________________________ অনিকেতের বন্ধুদের এক অন্যতম বন্ধু দীপাংশু মাহাতো। পুরুলিয়া জেলার কাশিপুর থানার অন্তর্গত আগরডি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এক সাধারণ পরিবারে। গ্রামের স্কুলে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর কমলপুর নেতাজী স্কুল থেকে পাশ করেন উচ্চ মাধ্যমিক। তারপর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।                   ছবি তোলার প্রতি টান বা ভালোবাসা লক্ষ্য করা যায় স্নাতকের দ্বিতীয় বর্ষ থেকে...সেই ভালোবাসার সাথে এখনও বিদ্যমান সমানভাবে। তাঁর এই সরলরৈখিক অবস্থান অনেক কিছুই দেখিয়েছে আমাদের। আরও অনেক কিছু দেখতে পাবো এমন আশা নিয়ে পায়ে পা মিলিয়ে হাঁটা। উত্তম মাহাত, সম্পাদক মূল পাতায় যান সম্পাদক : উত্তম মাহাত সহায়তা : অনিকেতের বন্ধুরা যোগাযোগ : হোয়াটসঅ্যাপ - ৯৯৩২৫০৫৭৮০ ইমেইল - uttamklp@gmail.com

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। শান্তনু গুঁই

ছবি
২৬ বৈশাখ ১৪২৮ / ১০ মে ২০২১ __________________________________ আলোকচিত্রী শান্তনু গুঁই। জন্ম বাঁকুড়া জেলার পাত্রসায়র থানার একটা ছোটো গ্রাম হাট কৃষ্ণনগরে। আলোকচিত্রীর ছেলেবেলা ও স্কুল এই গ্রামেই। খুব কম বয়স থেকেই ছবি আঁকা ও মাটির মূর্তি গড়ার প্রতি নেশা ছিল তাঁর। পরবর্তী কালে পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে বাঁকুড়া খ্রিস্টান কলেজ থেকে স্নাতক ও ওই বিষয়েই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ। বড়ো হওয়ার সাথে সাথে পড়াশোনার চাপে ছবি আঁকা ও অন্যান্য শিল্পকর্মের নেশাগুলো একে একে হারিয়ে যেতে থাকে। তারপর ২০১৩ সালে শিক্ষকতার কাজে যোগ দেন তিনি। সেই সূত্রে রূপসী পুরুলিয়ায় চলে আসতে হয় ওনাকে। এসে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সহজ সরল আদিবাসী মানুষদের সংস্কৃতিতে মুগ্ধ হয়ে পুরোনো সেই নেশা আবার মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তবে এই দ্বিতীয় ইনিংসে রঙ-তুলির বদলে ক্যামেরাকেই গুরুত্ব দেন বেশি। ওনার মতে, তিনি কোনো ফটোগ্রাফার নন, উল্লেখযোগ্য কোনো পুরস্কারও ওনার ঝুলিতে নেই। তিনি ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসেন। গ্রাম বাংলার আদি অকৃত্রিম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ওনাকে বারবার কাছে টানে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন ধরণের মানুষের জীবনযাত্রা, তাদের...