পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অন্তরালের শিল্প ও শিল্পীমহল

ছবি
অন্তরালের শিল্প ও শিল্পীমহল কল্পোত্তম পুরুলিয়ার তথা পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির ধারাকে বিশ্ব সংস্কৃতির অঙ্গনে তুলে নিয়ে আসার মূল যে নৃত্যকলা ছৌ-নাচ, সেই ছৌ-নৃত্যের আড়ালে আরও এক শিল্প এবং শিল্পীমহল অবস্থান করে আসছেন সমান্তরালভাবে । ছৌ-শিল্পের জন্মলগ্ন থেকে আমরা ছৌ-নৃত্যের ছন্দময় জাদুস্পর্শে মোহিত হলেও তার আড়ালে থাকা শিল্প এবং শিল্পীদের কথা, তাদের জীবনের হাসি-কান্না, দুঃখ-যন্ত্রণার ধারাবাহিকতাকে উপলব্ধি করার মতো উদারতা অর্জন করতে পারিনি। এক কথায়  আমাদের মনের মধ্যে যতখানি জায়গা পাওয়ার কথা ছিল তাঁদের ঠিক ততখানি জায়গা আমরা কখনই তাঁদেরকে দিতে পারিনি। যার ফলে তাঁদের সেই হাসি-কান্না, দুঃখ-যন্ত্রণা চিরকালীন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর আমাদের সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারও এঁদের বিষয়ে উদাসীন থেকেছে শুরু থেকেই। যার ফলে এঁদের শিল্পকে শিল্পের মর্যাদা দেওয়া হয়নি এবং এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদেরও শিল্পীর মর্যাদা দেয়নি তারা।            যে শিল্পের কথা এখানে বলতে চাইছি, তা হলো ছৌ-নাচের মুখোশ নির্মাণ শিল্প। এবং যে শিল্পীমহলের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করছি তা হলো ছৌ-নাচের মুখোশ...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। দীপাংশু মাহাত

ছবি
দ্বিতীয় বর্ষ ।। দশম ওয়েব সংস্করণ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪২৮ ।। ৩০ আগষ্ট ২০২১ _____________________________________________ অনিকেতের বন্ধুদের এক অন্যতম বন্ধু দীপাংশু মাহাতো। পুরুলিয়া জেলার কাশিপুর থানার অন্তর্গত আগরডি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এক সাধারণ পরিবারে। গ্রামের স্কুলে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর কমলপুর নেতাজী স্কুল থেকে পাশ করেন উচ্চ মাধ্যমিক। তারপর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।                   ছবি তোলার প্রতি টান বা ভালোবাসা লক্ষ্য করা যায় স্নাতকের দ্বিতীয় বর্ষ থেকে...সেই ভালোবাসার সাথে এখনও বিদ্যমান সমানভাবে। তাঁর এই সরলরৈখিক অবস্থান অনেক কিছুই দেখিয়েছে আমাদের। আরও অনেক কিছু দেখতে পাবো এমন আশা নিয়ে পায়ে পা মিলিয়ে হাঁটা। উত্তম মাহাত, সম্পাদক এই চিত্রশিল্পীর আরও ছবি প্রদর্শ-শালা দেখুন মূল পাতায় যান

দ্বিতীয় বর্ষ ।। দশম ওয়েব সংস্করণ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪২৮ ।। ৩০ আগষ্ট ২০২১

ছবি
পুজো আসছে, গবেষকদের মতে আসছে মারাত্মক তৃতীয় ঘেউ। যাতে নাকি বড়োদের সাথে সাথে বাচ্চারাও দারুণভাবে আক্রান্ত হবে। এবং সেই আক্রমণের গতি হবে দ্বিতীয় ঢেউ-এর থেকে অনেক গুণ বেশি। মৃত্যুর হারও হবে দ্বিতীয় ঢেউ-এর তুলনায় অনেক গুণ। যার জন্য আগাম সতর্কতা অতি আবশ্যক। আবশ্যক সাধারণ মানুষ এবং সরকার একসঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে চলা। যাতে যতটা সম্ভব এড়ানো যায় এই মারাত্মক মহামারীর দাপটকে। কিন্তু পশ্চিম বঙ্গের সচেতন সরকার তা আটকানোর বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা গ্ৰহণের সাথে সাথে একটা মারাত্মক ভুল করে বসলো। তা হলো এই সময় দুয়ারে সরকার ক্যাম্প করা। এই ক্যাম্পগুলো করোনার গতিকে যে ত্বরান্বিত করতে সহায়ক হয়ে উঠবে সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। অর্থাৎ আমাদের আরও একবার মরণ ফাঁদে পড়ার জন্য এবং তৃতীয় ঢেউ চলে আসার পর অহেতুক পুলিশের লাঠি খাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।              গতবার অপরিকল্পিত নির্বাচনের কারণে, রাজনৈতিক দলগুলোর মিটিং মিছিল জমায়েতের কারণে দ্বিতীয় ঢেউ-এর গতি ত্বরান্বিত হয়েছিল। এবার সেই গতি বাড়ানোর কাজে নেমে পড়লো রাজ্য সরকার নিজেই। আর সাধারণ মানুষের কথা বলে কে? কোথাও কিছু পাওয়ার কথা এলেই হুমড...

জলশ্যাওলার বিরহকথা

ছবি
জলশ্যাওলার বিরহকথা দীপংকর রায় তুমি কাকে দেখতে চাও, কাকে খুব কাছে পেলে তোমার এই উড়ু উড়ু ভাব এক নিমেষে থেমে যাবে?যাদের নিয়ে যে সঙ্গ- আকাঙ্ক্ষায় তোমার সকল সত্য গাছে চড়ে, বেশ খানিকটা উঁচুতে উঠে চিৎকার করে খালি খালি, আকাশ এবং বাতাসের মগ্নতায় , পাতায় পাতায় শিরশিরিয়ে বেড়ায়, তাদের এসব দিয়ে কী হবে----?          যারা বোঝেই না---- সঙ্গ মানে শুধুই সঙ্গ নয়, সঙ্গ মানে স্পর্শ, ছোঁয়া; যদিও ছোঁয়া না হলেও তিনি উপনীত হতে পারতেন, কিন্তু এতেও তো তা হবার নয়, এ যে গোদা, নিরেট, সমস্ত ভেতর মহলের চৈতন্যে সে টানা ঘুম দেয়! তাহলে তুমি তাদের ছোঁবে কী করে? আর তাই কি তোমার এই ইঙ্গিত তাদের অন্য মানে দেয়? অন্যই বা কী, অন্য বলে কিছু আছে নাকি? অন্য মানে প্রতি শব্দে যে আলাদা আলাদা ভাব, কিন্তু তাও কি ঠিক? তাহলে এই যে এত একাকার হবার বাসনা, তার মধ্যেও কি এক গভীর ছলনা আছে----? নাকি একটি গভীর চালাকি! স্বপ্ন দেখ কেন, কেন এত দুই পা শুয়ে শুয়ে ডোলে বেড়াও? সব বুড়ো আঙুলে লুকোনো থাকে নাকি সেই স্পর্শ? সব বুড়ো আঙুল, বুড়ো আঙুল ছুঁয়ে রাতের বেলায় পুরুষেরা মেয়েমানুষ হয়, না মেয়েমানুষেরা পুরুষমানুষ হয়? কোনটা হলে তোমরা খুশি?            জান...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। সন্দীপ কুমার

ছবি
দ্বিতীয় বর্ষ ।। নবম ওয়েব সংস্করণ ।। ৩০ শ্রাবণ ১৪২৮ ।। ১৬ আগষ্ট ২০২১ ______________________________________________         আলোকচিত্র শিল্পী:-সন্দীপ কুমার _______________________________________________ সন্দীপ সম্পর্কে আমি যা জানি সন্দীপ সেই ক্যামেরাম্যান যে শুধুমাত্র চিত্রকর সনৎ করের ছবি তোলার জন্য শান্তিনিকেতন ছুটে যায়। কবি দেবদাস আচার্যর ছবি তোলার জন্য কৃষ্ণনগর ছুটে যায়। সে সুদূর ব্যাঙ্গালোর ছুটে গেছে গায়ক মান্না দের ছবি তুলতে। জলপাইগুড়ি ছুটে গেছে কালাচাঁদ দরবেশের ছবির জন্য। শুধু কবি শিল্পী নয় নাটকের, অভিনেতাদের, সিনেমার অভিনেতাদের ছবি তুলে গেছে দিনের পর দিন। গল্পকার ঔপন্যাসিকদের ছবি তুলে গেছে। সৈকত রক্ষিতের ছবি তোলার জন্য অপেক্ষা করেছে বছরের পর বছর। শেষ অবধি এই গত শীতে সৈকত রক্ষিতের ছবি তুলতে পেরেছে। অর্থের লোভে নয়। খ্যাতির লোভে নয়, শুধুমাত্র ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ছবিগুলো থেকে যাবে। ইতিহাস হয়ে থেকে যাবে। আমার মনে আছে, আমাকে মডেল করে সে যখন ছবি তুলে যাচ্ছে, তখন তার ইচ্ছে ছিল, আমার ন্যুড ছবিও তুলবে। আমি আমার সংস্কার থেকে সেই ছবি তুলতে দিইনি। তবে সে বডি পেইন্টিং এর ছবি তুলেছ...