ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। মোহন পরামানিক
আলোকচিত্র শিল্পী মোহন পরামানিকের জন্ম - ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫ সালে এক অত্যন্ত সাধারণ পরিবারে। পেশাতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, বর্তমানে মালদাতে কর্মরত। পুরুলিয়া শহরের রেনী রোডে দেবী মেলার কাছে নিজের বাসা। তবে আলোকচিত্র শিল্পীর জন্মস্থান পুরুলিয়া শহর নয়। তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন এই জেলারই অযোধ্যা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত আখ চাষের জন্য সুপরিচিত সিরকাবাদ গ্ৰামে। তাই ছোট বেলা থেকেই প্রকৃতির অপার বিস্ময় মাখা সৌন্দর্যকে দেখেছেন খুব কাছ থেকে। ছোটবেলা থেকেই পাহাড় ও নদীর কোলে বড় হয়েছেন তিনি।
ছবির প্রতি তাঁর আকর্ষণ শুরু হয় ছোটবেলায় ছবি আঁকার মাধ্যমে। তারপর স্কুলে পড়াশোনাকালীন স্কুলের এক শিক্ষকের ছবি তোলা দেখে আকর্ষণ জন্মায় ছবি তোলার প্রতি। প্রথম অবস্থায় বাড়িতে Kodak - র একটি রিল ক্যামেরা ছিল তাঁর। তারপর আসে Sony - র একটি কুলপিক্স। কীট-পতঙ্গ, পশু-পাখি ও প্রকৃতির ছবি তুলতে থাকেন তিনি। তারপর যখন ছবি তোলার জন্য ঘুরে বেড়াতে লাগলেন তখন হঠাৎ করে পুরুলিয়া জেলার মানুষের জীবন যাপন, তাদের বিভিন্ন পরব ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির প্রেমে পড়েন। কলেজ জীবনে টিউশন পড়াতেন তিনি, সেই টাকা জমিয়েই Nikon - র আর এক ক্যামেরা কিনে ফেলেন। শুরু হয়ে যায় পুরুলিয়ার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে ছবি তোলার কাজ।
পুরুলিয়ার বিভিন্ন পরবের অসংখ্য ছবি তুলেছেন এবং প্রতি পর্যায়ের খন্ড চিত্রও তুলেছেন বছরের নানান সময়ে। করম, বাঁদনা, চড়ক, মনসা পূজো, গ্রামের দূ্র্গা পূজো, টুসু, ভাঁদু, ছট্ দেখে বড় হয়েছেন তাই ছবির মাধ্যমে তুলে ধরতে আরো বেশি সুবিধে হয়েছে এগুলোকে। এ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের নাচের ছবি, ছৌ নাচ, নাটুয়া নাচ, পাতা নাচ, নাচনী নাচ, দাসাই নাচ, হুল দিবসের নাচ, করম নাচ , মাঝি নাচ , সহরায় প্রভৃতি নাচের ছবি তোলার সুযোগ হয়েছে তাঁর।
ছোটনাগপুর মালভূমির রুখাশুখা মাটির এই অঞ্চলে বসবাসকারী আলোকচিত্র শিল্পী ইতিমধ্যেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পুরস্কারে পুরস্কৃত। তার মধ্যে রয়েছে FIP Gold, FIP Siver, National Salon এ Jury Choice ইত্যাদি। এছাড়াও রয়েছে পঁচাত্তরটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক একসেপ্টটেন্স। তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ আয়োজিত আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় ২০১৮ ও ২০১৯ এ কোলকাতার গগনেন্দ্র প্রদর্শশালাতে চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে তাঁর। অন্যদিকে ২০১৯ এ পশ্চিমবঙ্গ সরকার আয়োজিত বেঙ্গল টুরিজম এ দ্বিতীয় পুরস্কার জিতে নিয়েছেন তিনি।
এছাড়াও সম্পূর্ণ নিজস্ব চেষ্টায় ২০১৭ থেকে ২০২১ পর্যন্ত প্রতি বছর দূ্র্গা পূজোর সময় একক ছবি প্রদশর্নী করে চলেছেন, পুরুলিয়ার রেনী রোড দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে। তিনি বলেন দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে খোলামেলাভাবে ছবি প্রদর্শন করার মূল উদ্দেশ্যই হলো আলোকচিত্র শিল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলা। আলোকচিত্রশিল্প কি, তা বোঝার চোখ তৈরি করে দেওয়াই মূল উদ্দেশ্য তাঁর এই আলোকচিত্র প্রদর্শনীর।
উত্তম মাহাত, সম্পাদক





















Mohan da r kaaj khub kach theke dekhechi.. Stty obak hoyechi jotobar dekhechi..ek kothai Oshadharon .. #Riya_Ghosh
উত্তরমুছুনঅনেক অনেক ধন্যবাদ ও ভালোবাসা নিস লড়াকু বোন রিয়া 😊😊
মুছুনDarun mohon sir
উত্তরমুছুনঅনেক অনেক ধন্যবাদ 😊
মুছুনExcellent 👌👌
উত্তরমুছুনঅনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে☺
মুছুনখুব ভালো লাগলো
উত্তরমুছুনঅসাধারণ, খুব ভালো লাগলো ভাই।
উত্তরমুছুন❤️❤️❤️❤️❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤
উত্তরমুছুনজাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা জাগা
❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤
Khub bhalo laglo bhai
উত্তরমুছুনবাহ!! খুব ভাল লাগল মানুষের ছবি, মানুষের সাথে, সাথে রঙের এত প্রলেপ!!
উত্তরমুছুনঅনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে
মুছুন