পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তৃতীয় বর্ষ ।। দশম ওয়েব সংস্করণ ।। ১২ ভাদ্র ১৪২৯ ।। ২৯ আগষ্ট ২০২২

ছবি
ঠক বাছতে গাঁ উজাড় হবে ভেবে ঠক বাছতে ছেড়ে দেওয়ার অর্থ কোনো না কোনোভাবে তাদের সাথে বসবাস করতে চাওয়া এবং কোনো না কোনোভাবে তাদেরকে রেখে নেওয়ার ইচ্ছাকে গোপনভাবে জাগিয়ে রাখার চেষ্টা। কিন্তু কেবলমাত্র ঠক দিয়েই তো একটা গাঁ হয় না। সেখানে ভালো মানুষেরও বাস থাকে। ঠকদের সঙ্গে বাঁচতে গেলে তাঁদেরকে ছাড়তে হবে এক সময়। অর্থাৎ তাঁরা নিজেরাই সরে যাবেন সেখান থেকে।     যখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার, যখন সংখ্যায় কম ছিল তারা, তখন সিদ্ধান্ত নাওনি। এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছো না। উল্টে বিলিয়ে যাচ্ছো নানা বাহানায়। কালোকে সাদা করার চেষ্টা করছো। অর্থাৎ তাসের ঘর বানাচ্ছো দিবারাত্রি। সামান্যও ঝড় সইতে পারবে তো এই তাসের ঘর? নাকি পঁয়ত্রিশ বছরের পুরনো তাসের ঘরের মতো হুড়মুড়িয়ে পড়বে একদিন?               কথা যাই হোক, মানুষের মনের ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গেরোয়া পছন্দের নয়। তার মূলে একটা ভয়ও আছে। তার বদলে অন্য কোনো রং যদি দেখা দেয় আকাশে, উল্লাসে ফেটে পড়বেন মানুষ। বেরিয়ে পড়বেন রাস্তায়। মুক্তির হাসিতে ভরে যাবে চারপাশ।                মনে রাখা ভালো, কলসির পিছনে অর্থাৎ বাইরে আঠা দিয়ে জল আটকানো যায় না। আঠা ...

একটি দলিত গ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাঃ “প্রাণনারী” কল্যাণী ঠাকুর চাঁড়াল।

ছবি
একটি দলিত গ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাঃ “প্রাণনারী” কল্যাণী ঠাকুর চাঁড়াল।                                              মধুপর্ণা কর্মকার   গুরুচাঁদ ঠাকুর এবং হরিচাঁদ ঠাকুর মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষজনের শিক্ষার প্রতি দিয়েছিলেন সর্বাধিক গুরুত্ব। মানুষকে শিক্ষা সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে চেয়েছিলেন। তাঁরা উপলব্ধি করেছিলেন, শিক্ষাই পারে নিগড় গুলো একে একে খুলে দিতে, অধিকার অর্জনের পথ প্রশস্ত করতে। আম্বেদকর দলিতজনের শিক্ষা ও অধিকারের প্রায়োগিক লক্ষ্যে বহুল পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেই পদাঙ্ক অনুসরণ  করে দলিত নারীবাদী, বিশিষ্ট দলিত স্বর, লেখক কল্যাণী ঠাকুর চাঁড়াল ১১/০৮/২০২২ তারিখ তাঁর জন্মস্থান নদীয়ার বগুলা গ্রামে প্রতিষ্ঠা  করলেন ‘রেণুকা ঠাকুর দলিত গ্রন্থাগার’।    নদীয়া জেলার বগুলায় ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহন করেন কল্যাণী ঠাকুর চাঁড়াল। বি কম পাশের পর তিনি রেলে চাকরি পান এবং চাকুরিরত অবস্থায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম কম পাশ করেন। ১৯৯৪ সালে ‘নীড়’ নামে একটি দেওয়াল পত্রিকা প্রকা...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। জয়দেব চক্রবর্তী

ছবি
১৯৬৫ সালের ৬ই জুন কলকাতার এক ব‍্যবসায়িক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন অসাধারণ এই আলোকচিত্র শিল্পী জয়দেব চক্রবর্তী। ফটোফ্রেমিং এবং বাইন্ডিং এই ছিল ওঁদের ব‍্যবসা। সেই সূত্রে ছোটোবেলা থেকেই বিভিন্ন নামী অনামী চিত্রশিল্পীদের আঁকা চিত্রকর্মের সঙ্গে একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এবং সেইসব আঁকা ছবি দেখতে দেখতে একটা ভালো লাগার জায়গা তৈরি হয়, যা জীবনকে বেঁধে দেয় একটা অন্য খাতে। বলতে গেলে এই গভীর পর্যবেক্ষণ থেকেই এক সুন্দর শিল্পীমন তৈরি হয়। তৈরি হয় এক অসাধারণ আলোকচিত্র শিল্পী।               দেখার বাইরেও যে একটা দেখা থাকতে পারে, সেই ছোটবেলাতেই বুঝে গিয়েছিল তাঁর শিল্পীমন। তারপর জীবনে একটু থিতু হয়ে শুরু হয় ছবি তোলা। ২০০৫ সালে সমমনষ্ক কিছু ফটোগ্ৰাফিক বন্ধু নিয়ে একটা ক্লাব তৈরী করেন। সেই ক্লাবের পথচলা আজও থামেনি। বরং তার ক্রিয়াকলাপ উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে। তৈরি করে চলেছে একটা ভালোবাসা ও ভালোলাগার জায়গা।                বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ফটোগ্ৰাফিক সোসাইটির স‍্যালোনে ছবি পাঠিয়ে পদক আর সার্টিফিকেট লাভ শিল্পীকে আরও ঋদ্ধ করেছে।                      ২০১৫ এবং ২০১৮ এই দুটো সালে কলকাতার গগণেন্দ্র প্রর্দশশালাতে ছবির ...

এ ভরা ভাদর

ছবি
এ ভরা ভাদর                  তপন পাত্র সাহিত্য-শিল্পের প্রধানতম বিষয়টি যে প্রেম একথা রসিকজন মাত্রই স্বীকার করবেন। বিদগ্ধজনেরাও বিপক্ষে যাবেন না। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ, বলা যায় সর্বশ্রেষ্ঠ প্রেমের ভান্ডারটি বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্য। রাধা-কৃষ্ণের সরস প্রেমলীলা তথা শ্রীরাধার প্রেমের ক্রমবিকাশ যে শুধুমাত্র স্বর্গীয় নয়, কল্পরাজ্য বৈকুন্ঠের সম্পত্তি নয়, এই মর্ত্যের তরুণ তরুণীর, মানব মানবীর প্রণয় লীলা এ কথা আমরা প্রায় সকলেই স্বীকার করি। মানবপ্রেমিক রবীন্দ্রনাথও বৈষ্ণব কবিদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তুলেছিলেন --      "সত্য করে কহ মোরে, হে বৈষ্ণব কবি,       কোথা তুমি পেয়েছিলে এই প্রেমছবি,       কোথা তুমি শিখেছিলে এই প্রেমগান       বিরহ-তাপিত? হেরি কাহার নয়ান,       রাধিকার অশ্রু-আঁখি পড়েছিল মনে?       বিজন বসন্তরাতে মিলন-শয়নে       কে তোমারে বেঁধেছিল দুটি বাহুডোরে,       আপনার হৃদয়ের অগাধ সাগরে       রেখেছি...