পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

চতুর্থ বর্ষ ।। দ্বাবিংশতি ওয়েব সংস্করণ ।। ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ ।। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ছবি
আমরা কুড়মি কামার কুমোর মুচি মেথর হাঁড়ি ডোম মুখার্জি ব্যানার্জি চ্যাটার্জি সকলেই পুতুল নাচের চরিত্র। পুতুল নাচের চরিত্র রাজা মন্ত্রি সান্ত্রি, জর্জ উকিল ব্যারিস্টার, চোর ছ্যাঁচোড় লেঠেল, এমনকি শবদাহকারীও। সকলেই কারোর না কারোর অঙ্গুলি হেলনে নেচে চলেছি সব সময়।           পুতুল নাচ একটা খুবই ইংগিতবাহী নাচ। যা প্রতিনিয়ত আমাদের শিখিয়ে যায় অনেক কিছু। প্রতিনিয়ত শিখিয়ে যায় এই অখিল ভূমন্ডলে আমাদের কিছু করণীয় নেই। কোন একজনের অঙ্গুলি হেলনে নেচে চলা ছাড়া। সেই অঙ্গুলি সঞ্চালকারী আমাদের জিতিয়ে দেয় বা পরাজিত করে দেয়। অথচ আমরা ভাবি সব শ্রেষ্ঠত্ব নিজস্ব অর্জন। রাজনৈতিক জয় পরাজয়, বড় কবি ঔপন্যাসিক হওয়া, বড় বড় পদে অধিষ্ঠিত হওয়া নিজেরই অর্জিত ফসল। কিন্তু এই অর্জন কতটা নিজস্বতা দর্শায় তা ভেবে দেখি না কখনও। আর ভেবে দেখি না বলেই অহং বোধে মদমত্ত হয়ে উঠি। পরাজিতকে হেয় করি। ছোট করি। তুচ্ছতাচ্ছিল্য করি। অথচ তারাও সেই অঙ্গুলি সঞ্চালনেই পরাজিত যে অঙ্গুলি সঞ্চালনে বিজিত কেউ কেউ। কেউ কেউ উচ্চ পদে অধিষ্ঠিত।             এমন কেউ কী আছে, যে পুতুল নয়? কারোর আঙ্গুলে হেলনে সঞ্চালিত করে না নিজেকে? উত্ত...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। সাম্যব্রত ঘোষ

ছবি
আলোকচিত্রী     সোনারপুরের বাসিন্দা আলোকচিত্রী সাম্যব্রত ঘোষ ২৪ ছুঁই ছুঁই। তিনি বর্তমানে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে স্নাতক। তিনি speedcubing করেন, যা হল কে কত কম সময়ের মধ্যে রুবিক্স কিউব মেলাতে পারেন তার প্রতিযোগিতা। এছাড়াও ফ্রি স্টাইল নানচাকু প্র্যাকটিস করেন। এটা কোনো মার্শাল আর্টের ফর্ম না হলেও, একটা হাতিয়ার অবশ্যই।            পাহাড় ভালো লাগে তাঁর। মাঝে মাঝেই ছুটে যান বিভিন্ন পাহাড়ে পর্বতে। একজন অ্যাথলিট হিসেবে দৌড়াতেও পারেন বেশ।              কোরোনা পিরিয়ডে সময়-কাটানোর একটা ভালো উপায় হিসেবে টুকটাক ছবি তোলা শুরু। তারপর সেই নেশা থেকে গিয়েছে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিজয়গড় জ্যোতিষ রায় কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করা এই আলোকচিত্রীর আলোকচিত্র অবাক করে অনেককেই। আজ তারই কিছু আলোকচিত্র অরন্ধনের পাঠকদের জন্য তুলে দেওয়া হল। আশা করি তাঁর এইসব আলোকচিত্র মনে ধরবে সকলের। উত্তম মাহাত, সম্পাদক  মূল পাতায় যান।

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। দেবাশিস চন্দ

ছবি
আলোকচিত্রী বহমান সময় নিজস্ব চিহ্ন রেখে যায় কবির বাচনে। 'দেবাশিস ব্যক্তিগত অনুভবের দর্পণে ঘাতক সময়ের স্পর্ধিত উপস্থিতি প্রত্যক্ষ করেছেন'—তাঁর কবিতা সম্পর্কে এই মন্তব্য করে কবি ও সাহিত্য তাত্ত্বিক তপোধীর ভট্টাচার্যের সংযোজন, ‘‌লক্ষ করি গূঢ় সময় কীভাবে শব্দের ‌ভিত্তি খুঁড়ে খুঁড়ে গড়ে তোলে‌ স্বর ও অন্তঃস্বরের সুড়ঙ্গ-লালিত নিহিত সম্পর্ক।’‌ তিনি দেবাশিস চন্দ। নিজেকে বলেন শব্দশ্রমিক। শব্দ নিয়ে কবিতার সমান্তরালে শিল্পকলার আলো-আঁধারিতে তাঁর যাতায়াত।            ক্যামেরায় চোখ রাখা তাঁর আরেক প্যাশন। পশ্চিমবাংলার শিল্পীদের কবিতা-ছবির সংগ্রহ, নীরদ মজুমদার, প্রকাশ কর্মকারকে নিয়ে লেখা তাঁর বই উচ্চ প্রশংসিত। বিশিষ্ট শিল্পী যোগেন চৌধুরী সম্পাদিত শিল্পকলা সাময়িকী ‘‌আর্টইস্ট’-এর সম্পাদকীয় বোর্ডের সদস্য তিনি। কলকাতা, দিল্লি, হংকংয়ে কিউরেট করেছেন ছবি-ভাস্কর্যের প্রদর্শনী।           তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১৮। তার মধ্যে কবিতার বই ১১টি। শিল্পকলা নিয়ে লিখেছেন ৪টি বই। পেয়েছেন সোপান সাহিত্য পুরস্কার। ‌বইতরণী সম্মাননায় সম্মানিত কবি, শিল্পকলা-গবেষককে সমগ্র সাহিত্যকৃতির জন্য জানানো হয়েছে আলোপৃথিবী স্মারক স...