পোস্টগুলি

মে, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। সন্দীপ কুমার

ছবি
সন্দীপ কুমার। আমাদের বন্ধু।  আলোকচিত্র শিল্পী। একজন কবি। তিনি কলম দিয়ে যেমন লেখেন তেমনই ক্যামেরাও তাঁর কলম। ক্যামেরা ও কলমে তিনি শাদাকালো  রহস্য সৃষ্টি করেন।  তাঁর রহস্যের ভুবন তিন ভুবনের তিন কোণে। মাকড়সা জাল বুনলেও সেই সমস্ত কোণে কলমের আঁচড়। ক্যামেরার চোখ।  সন্দীপ কুমার আমাদের বন্ধু।  তাঁর ক্যামেরা ও কলম থেকে  আমরা শিল্পের শুশ্রূষা পাই। তাঁর  নিশান উড়ছে। উড়বেই। মূল পাতায় যান।

পঞ্চম বর্ষ ।। দ্বিতীয় ওয়েব সংস্করণ ।। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ ।। ২৭ মে ২০২৪

ছবি
বীজ বোনার কাজ শুরু হলে ব্যস্ততা বাড়ে চাষির। ব্যস্ততা বাড়ে মেঘের। আকাশ মাটির এই ব্যস্ততাই পরিপক্ক ফসলের দিকে নিয়ে যায় আমাদের।           গ্রীষ্মের দাবদাহ শেষে এই যে ঘাম ঝরা ব্যস্ততা, এই ব্যস্ততাই ধীর পায়ে দীর্ঘায়িত হতে হতে নিয়ে আসে হেমন্তের শীতল ছোঁয়া। নিয়ে আসে এক অপরূপ আনন্দ মুখর পরিবেশ। যে পরিবেশের স্পর্শ পাওয়ার লোভে সারা বছর অপেক্ষায় থাকে মানুষ।            চারপাশে সোনালী ধান। রুনুঝুনু আওয়াজ মিশে যায় পাখিদের গানে। বাতাসের তানে। পাল্টে যায় জীবনের মানে আমাদের। আরও লক্ষ বছর অতিক্রান্ত করার সাধ জাগে। সাধ জাগে একটা সুবিশাল পরিবারের সদস্য হয়ে থাকতে জন্ম জন্মান্তর। মানুষের সাথে সাথে হাঁস, মুরগি, বকনা বাছুর, কেন্নো, গোবরে পোকা এবং মাঝে মাঝে বিড়ালেরাও ঘুরে বেড়ায় যে আঙিনায়। যে আঙিনায় বছরের একটা নির্দিষ্ট সময়ে এসে নির্ভয়ে বাসা বাঁধে টুনটুনি পাখি।            সেই আঙিনা ছাড়া সুখের এই মৌলিকতা আর কোথায়?              উত্তম মাহাত, সম্পাদক ______________________________________________ যাঁদের লেখায় সমৃদ্ধ হলো এই সংস্করণ ______________________________________________ দুর্গা দত্ত...

পঞ্চম বর্ষ ।। প্রথম ওয়েব সংস্করণ ।। ২৩ বৈশাখ ১৪৩১ ।। ৬ মে ২০২৪

ছবি
এমন একটা দোলাচলের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছি যেখানে সত্য মিথ্যার বিচার করা কঠিন হয়ে উঠছে। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা অহরহ মিথ্যাকেই সত্য হিসেবে প্রতিস্থাপন করে চলেছে জনসমক্ষে। তারা ভেবেই নিয়েছে, মানুষ সম্পূর্ণরূপে মুর্খ, ব্যক্তিত্বহীন। যেভাবে বোঝানো হবে, সেভাবেই বুঝবে। যেভাবে চালানো হবে সেভাবেই চলবে। হাতে অবস্থানরত মাটির পুতুলের মতো হাতের ইশারায় নাচবে সবসময়। কিন্তু একটা বিষয় মনে নেই তাদের, মানুষ বা জনগণ হাঁসের ঠোঁটের মতো। একসঙ্গে জল ও খাদ্যকে ঠোঁটে পুরে খাদ্যকে আলাদা করে জলকে অনায়াসে ফেলে দেয়। সেই ক্ষমতা তাদের আছে। এবং ওই ক্ষমতা আছে বলেই ভারতবর্ষে বহু সময় বহু বহিরাগত জাতি রাজত্ব করতে এলেও শেষ পর্যন্ত এখানকার মানুষ স্বাধীন। এবং এই স্বাধীনতা তাদের রক্তের কণায় কণায় রয়েছে। বর্তমানের সমস্ত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে আবার এখানকার মানুষ মাথা তুলে দাঁড়াবে এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।             পদযাত্রা শুরুও হয়েছে। একে একে তেহারে জায়গা হচ্ছে নাটের গুরুদের। বাংলা তথা দেশকে যারা চুরির পিঠস্থান বলে ভাবার দুঃসাহস দেখিয়েছিল। তাদের পায়ের ধুলি পড়ছে না আর বাংলার রাস্তায় রাস্তায়। যে রাস্তায়...