পোস্টগুলি

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোক চিত্র ।। মধূপর্ণা কর্মকার

ছবি
১৯ পৌষ ১৪২৭ / ৪ জানুয়ারি ২০২১ ------------------------------------------------------- শান্তিনিকেতনের অপরূপ পরিদৃশ্য কেবলমাত্র বাঙালির আকর্ষণের বিষয় নয়, ভারতবর্ষের সমস্ত মানুষের কাছেই একটা আকর্ষনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে খুবই মন্থর গতিতে এবং এখনও তার বিস্তার ঘটছে নানাভাবে।           শুধুমাত্র ভারতবর্ষ বললে ভুল হবে, শান্তিনিকেতন দেশের বাইরের মানুষের কাছেও সুপরিচিত। সংস্কৃতির পিঠস্থান এই জায়গাতে একবার পা রাখার বাসনা নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মনে হয় মুশকিল। তাই শান্তিনিকেতনের প্রতি মানুষের জানার আগ্ৰহও অনন্ত। আমাদের বন্ধু কবি মধূপর্ণা কর্মকার সেই শান্তিনিকেতনের শীতকালীন সকালের কিছু মুহূর্তের আলোকচিত্র পাঠিয়েছেন। এবারের সংস্করণে সেগুলোই তুলে দেওয়া হলো দর্শকদের সামনে। উত্তম মাহাত, সম্পাদক -------------------------------------------------------         বিশ্বভারতীর বাইরে শান্তিনিকেতনের জীবনযাত্রা। খেজুর গুড় প্রস্তুত করা হচ্ছে ধোবিঘাট, লালবাঁধ ধোবিঘাট, লালবাঁধ শীতের সকাল খেজুর গুড় প্রস্তুত করা হচ্ছে শীতের সকাল শীতের সকাল শীতের সকাল ধোবিঘাট, লালবাঁধ শীতের সকাল খেজুর গুড় প্রস্তুতকারী...

প্রথম বর্ষ ।। দশম ওয়েব সংস্করণ ।। ৫ পৌষ ১৪২৭

ছবি
আদর্শ ব্যাপারটা কেমন যেন গোলমেলে হয়ে উঠছে দিনের পর দিন। আদর্শ হিসেবে কাকে গ্ৰহণ করা যায় সেই প্রশ্নের মধ্যে দেখা দিচ্ছে নানা জটিলতা। রাজনেতা, ডাক্তার, উকিল, বৈজ্ঞানিক, সাহিত্যিক, শিল্পী বা তথাকথিত বুদ্ধিজীবী সবার মধ্যেই সংকীর্ণতা, অকৃতজ্ঞতা এবং স্বভাবনার বিষয়টা বিশেষ জায়গা করে নেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁরা আর জায়গা করে নিতে পারছেন না। এর মধ্যে সর্বাগ্ৰে যাঁদের স্থান রয়েছে তাঁরা হলেন রাজনেতা।               কোনো দলের কাজকর্ম বা সেই দলের নেতাদের প্রতি বিতশ্রদ্ধ হয়ে একজন সাধারণ মানুষ যে দলকে বা যে দলের প্রার্থীকে ভোট দিলেন প্রকারান্তরে দেখা গেল সেই প্রার্থী আপনার অপছন্দের দলে গিয়ে নিজেকে বিক্রি করে দিলেন। অর্থাৎ আপনার ভোটের কোনো মূল্য থাকলো না।এক্ষেত্রে তাঁকে আদর্শ হিসেবে নেওয়া কার পক্ষেই বা সম্ভব? তেমনই ডাক্তার, উকিল এবং উল্লিখিত ও অনুল্লিখিত বুদ্ধিজীবীরা। তাই সমস্যা বাড়ছে সাধারণ মানুষের।                আমার মনে হয়, যে সকল রাজনৈতিক নেতারা দল পরিবর্তন করছেন তাঁদের প্রথমে নির্বাচন কমিশনের কাছে গিয়ে পরাজিত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা উচিত। কারণ যে ভোট নিয়ে তিনি ক্ষমতায় রয়েছ...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোক চিত্র ।। শুভাশিস গুহ নিয়োগী

ছবি
৫ পৌষ ১৪২৭ / ২১ডিসেম্বর ২০২০ শুভাশিস গুহ নিয়োগী ১৯৬৫ সালে পশ্চিম বঙ্গের বাঁকুড়া জেলার রায়পুর গ্রামের এক অত্যন্ত সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নিজেকে ফটোগ্রাফার বলতে সংকোচ বোধ করেন। ঠিক ক'টা ছবি বা কি রকম ছবি তুললে তাঁকে ফটোগ্রাফার বলা যায়! কতটা পথ পেরোলে তবে পথিক বলা যায়! বলা যায় তিনি একজন সাধারণ মানুষ নন একজন ফটোগ্রাফার! সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে। শুধু ছবি তুলতে ভালো বাসেন বলেই জেলার গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়ান তিনি।               কোনো বিশেষ বিষয়ে তাঁর আসক্তি নেই।হিমালয়ের অপার সৌন্দর্য, কাশ্মীরের অনন্য প্রাকৃতিক শোভা, বেনারসের গঙ্গা ঘাটের দৈনন্দিন জীবন যাত্রা যেমন জায়গা পায় তাঁর ছবিতে, তেমনই নিজের কর্মভূমি পুরুলিয়ার নয়নাভিরাম প্রকৃতি ও গ্রামীণ জীবনের রোজনামচাও প্রতিভাত হয়ে ওঠে তাঁর তোলা ছবিতে।                  শান্তিনিকেতন থেকে উচ্চশিক্ষা শেষ করে শিক্ষকতার পেশাকে বেছে নিলেও ছাড়তে পারেননি সাংস্কৃতিক নেশাগুলি। তাই সুযোগ পেলেই তাঁর নানান কাজে ফুটে ওঠে সংস্কৃতির ঝলক। শিক্ষা ক্ষেত্রে পাঠদান ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে তাঁর একাগ্রতা বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এই কাজ ২০১৬ সালে ওনাকে এনে দিয়েছে...

প্রথম বর্ষ ।। নবম ওয়েব সংস্করণ ।। ২১ অগ্ৰহায়ণ ১৪২৭

ছবি
এমনিতেই পড়ানো হয় না স্কুলে। সরকারি স্কুলগুলোর শিক্ষার্থীদের দশা দেখলে চোখে জল আসবে। তারপর করোনা সঙ্কট। প্রায় বছর খানেক বন্ধ স্কুলগুলো। যার ফলে রিডিং পড়তেও ভুলে গেছে গ্ৰামাঞ্চলের ছেলে মেয়েরা।               হাট বাজার খোলা। গাড়ি ঘোড়া চলছে। মিটিং মিছিল চলছে। সরকারি সমস্ত অফিস চলছে। সবার সঙ্গে সবার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে খোলাখুলি। অথচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ রয়েছে রহস্য জনক ভাবে। করোনা কি কেবল মাত্র স্কুলের মাধ্যমে ছড়ায়? স্কুলে না গিয়েও বাড়ির কারোর দ্বারা বাহিত হয়ে সেই ছেলে মেয়েদের কি করোনা হওয়া সম্ভবই না? যদি না থাকে আলাদা কথা। তবে হওয়ার সম্ভাবনা যদি থাকে তাহলে স্কুল গুলো খুলে দেওয়াই উচিত হবে বলে মনে হয়। রাজনীতির গেঁড়াকলে কত আর পিষ্ট হবে মানুষ? উত্তম মাহাত, সম্পাদক _____________________________________ আমাদের অনিকেত বন্ধুদের একজন সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সদ্য মাতৃহারা হয়েছেন। তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা আমাদের নেই। তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে আমাদের সমবেদনা জানাই। _____________________________________ ইতু : মিত্র ও মৃত্তিকার মহাসঙ্গম তপন পাত্...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। ফোটোগ্রাফি ।। দীপাংশু মাহাত

ছবি
২১ অগ্ৰহায়ণ ১৪২৭ / ৭ ডিসেম্বর ২০২০ _____________________________________ অনিকেতের বন্ধুদের এক অন্যতম বন্ধু দীপাংশু মাহাতো। পুরুলিয়া জেলার কাশিপুর থানার অন্তর্গত আগরডি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এক সাধারণ পরিবারে। গ্রামের স্কুলে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর কমলপুর নেতাজী স্কুল থেকে পাশ করেন উচ্চ মাধ্যমিক। তারপর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।                   ছবি তোলার প্রতি টান বা ভালোবাসা লক্ষ্য করা যায় স্নাতকের দ্বিতীয় বর্ষ থেকে...সেই ভালোবাসার সাথে এখনও বিদ্যমান সমানভাবে। তাঁর এই সরলরৈখিক অবস্থান অনেক কিছুই দেখিয়েছে আমাদের। আরও অনেক কিছু দেখতে পাবো এমন আশা নিয়ে পায়ে পা মিলিয়ে হাঁটা। উত্তম মাহাত, সম্পাদক সম্পাদক : উত্তম মাহাত সহায়তা : অনিকেতের বন্ধুরা যোগাযোগ : হোয়াটসঅ্যাপ-৯৯৩২৫০৫৭৮০ ইমেইল-uttamklp@gmail.com