পোস্টগুলি

দ্বিতীয় বর্ষ ।। দ্বিতীয় ওয়েব সংস্করণ ।। ২৬ বৈশাখ ১৪২৮ ।। ১০ মে ২০২১

ছবি
মন  ভালো নেই। কেন না মানুষ ভালো নেই আজ। অসংখ্য প্রিয় মানুষ আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন একনাগাড়ে। আশঙ্কার মধ্যে বেঁচে আছেন বাকিরাও।          কেবল করোনা নয়, আশঙ্কা অনেক কিছুর। কালোবাজারি মুনাফাখোরদের দখলে পুরো পৃথিবী। আমাদের বাঁচার জায়গা কোথায়? করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত মানুষ। আরো বেশি ভীতসন্ত্রস্ত না খেয়ে মরার আশংকা থেকে। লকডাউন, আধা লকডাউন, স্থানীয়ভাবে লকডাউন, এসবের ফলে কর্মচ্যুত মানুষের কাছে আর্থিক যোগান একেবারে তলানিতে। তার উপর যোগ হয়েছে ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি। দু'মাস আগেও যে দ্রব্যের দাম নাগালের মধ্যে ছিল সেই দ্রব্যের দাম বর্তমানে চার গুণ বেড়ে সাধারণ এবং মধ্যবিত্ত মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। ফলে একই দ্রব্য কেনাকাটার ক্ষেত্রে বেশি বেশি অর্থ খসে যাওয়ার কারণে ভাঁড়ে মা ভবানী অবস্থা। সেই সঙ্গে আরও যোগ হয়েছে মরসুমি অসুখ-বিসুখের পালা করে আসা যাওয়া।             হসপিটালে ভর্তি হতে গেলে বেড নেই, ডাক্তার নেই, নার্স নেই, নেই ঔষধ। সরকারি সাধারণ চিকিৎসা একেবারে গোল্লায়। বেসরকারি হসপিটাল বা নার্সিং হোম...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। সন্দীপ কুমার

ছবি
১২ বৈশাখ ১৪২৮ / ২৬ এপ্রিল ২০২১ ________________________________ সন্দীপ কুমার- এর জন্ম ১৭ অক্টোবর, কলকাতায়, এ যাবৎ তাঁর চারটি একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী হয়েছে। প্রথম প্রদর্শনী বর্ধমান-এ, ২০০৩ সালে, ২০০৫ সালে দ্বিতীয় প্রদর্শনী, গগনেন্দ্র চিত্র প্রদর্শ-শালায়। শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর কলাভবনে তাঁর তৃতীয় প্রদর্শনী, ২০০৭ সালে। চতুর্থ প্রদর্শনীটি হয় ২০০৯ সালে "বইচিত্র" প্রদর্শনী কক্ষে। এছাড়া তাঁর তোলা আলোকচিত্র বাংলা ভাষার বিভিন্ন প্রথম শ্রেণীর সংবাদ ও ম্যাগাজিনে বহুবার মুদ্রিত হয়েছে। বর্তমান নিবাস কলকাতায়। তবে কলকাতার থেকে অধিক প্রিয় জেলা, পুরুলিয়া। এমনকি শান্তিনিকেতনের থেকেও পুরুলিয়াকে অধিক প্রাধান্য দিয়ে থাকেন তিনি, তা সে ফটোগ্রাফি হোক বা মনের প্রশান্তিতে! এছাড়া তিনি বেশ কয়েক বছর যাবৎ " সুরের জগৎ " নামে একটি গানের পত্রিকা সম্পাদনা করে আসছেন। বলা যেতে পারে বাংলা ভাষায় এই মুহূর্তে একমাত্র সঙ্গীত বিষয়ক পত্রিকা। মনফকিরা ও গাঙচিল প্রকাশনী থেকে "অজ্ঞাত এক আলোকচিত্রীর আত্মজীবনী," " টানা দাগ," "অন্তরঙ্গ," ও " কবিতা হলে এভাবেই লি...

দ্বিতীয় বর্ষ ।। প্রথম ওয়েব সংস্করণ ।। ১২ বৈশাখ ১৪২৮ ।। ২৬ এপ্রিল ২০২১

ছবি
                                      শ্রদ্ধার্ঘ্য                       আমার জন্মের কোন শেষ নেই                               *****       *****       *****       ***** ছায়ার প্রয়োজন হলে বৃক্ষের তলায় গিয়ে দাঁড়ায়। সে ছায়া বটের হলে সোনায় সোহাগা। কিন্তু বিশাল এক বটবৃক্ষের পতন অনেকেরই ছায়া ছিনিয়ে নেয় অনিবার্য কারণেই।            বাংলা সাহিত্য জগতে সে রকমই এক বটবৃক্ষের পতন ঘটে গেল অভিশপ্ত করোনা কালে।            শঙ্খ ঘোষ, তিনি শুধু কবি ছিলেন না। ছিলেন অনেক অনেক শিল্প-সাহিত্যিক ও শিল্প-সাহিত্য মনা মানুষের অভিভাবক। পথ প্রদর্শক। সু-চিন্তক এবং সর্বোপরি তিনি ছিলেন একজন অসম্ভব ভালো মানুষ।              অতিথি বৎসল এই বটবৃক্ষ নিজের সুশীতল ছায়া থেকে কাউকেই বঞ্চিত করেনি। বরং ডাল বিস্তার করে দিয়েছে তাদের দিকে।                দু'বছর আগে আমি যখন সেই বৃক্ষের ছায়ায় গিয়ে শেষ বারের মতো দাঁড়িয়েছিলাম। অসম্ভব স্নেহের ছায়া পেয়েছিলাম আমি। কিন্তু ওনার বার্ধক্যজনিত কারণে স্পষ্ট করে কোনো কথা শুনতে পাইনি সেদিন। ফলে সেই বৃক্ষের পতনের মূলে কোভিড নাইন্টিন একথা মানতে রাজি নয় আমি। আসলে বার্ধক্যজনিত ...