পোস্টগুলি

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। শুভাশিস গুহ নিয়োগী

ছবি
দ্বিতীয় বর্ষ ।। ষষ্ঠ ওয়েব সংস্করণ ।। ২০ আষাঢ় ১৪২৮ ।। ৫ জুলাই ২০২১ _______________________________________________ শুভাশিস গুহ নিয়োগী ১৯৬৫ সালে পশ্চিম বঙ্গের বাঁকুড়া জেলার রায়পুর গ্রামের এক অত্যন্ত সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।                            এরপর তিনি শান্তিনিকেতন থেকে উচ্চশিক্ষা শেষ করে শিক্ষকতার পেশাকে বেছে নেন। তবে সাংস্কৃতিক বিষয়ে তাঁর আগ্ৰহ অতুলনীয়। তাই তাঁর নানান কাজে ফুটে ওঠে সংস্কৃতির ঝলক। শিক্ষা ক্ষেত্রে পাঠদান ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে তাঁর একাগ্রতা বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এই কাজ ২০১৬ সালে তাঁকে এনে দিয়েছে রাজ্য সরকারের 'শিক্ষা রত্ন' সম্মান আর ২০১৭ সালে জাতীয় শিক্ষক হিসেবে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার।             এইসব কাজকর্মের মাঝেই ২০১০ সাল থেকে চেপে বসে আর এক নেশা। ছবি তোলার নেশা। সেই থেকেই হাতে খড়ি এই জগতে। তারপর ক্রমে ক্রমে পৌঁছে যান উন্নতির চূড়ান্ত শিখরে। ২০১৫ সালে পশ্চিম বঙ্গ সরকারের বিশেষ পুরস্কার পান ফটোগ্রাফিতে। সেই ছবিতে উঠে এসেছিল পুরুলিয়া জেলার গ্রামীণ জীবন।                গগনেন্দ্র প্রদর্শশালা, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন প্রভৃতি বেশ কিছু স্থানে প্র...

দ্বিতীয় বর্ষ ।। পঞ্চম ওয়েব সংস্করণ ।। ৬ আষাঢ় ১৪২৮ ।। ২১ জুন ২০২১

ছবি
_____________________________________________ কবি গৌতম বসুর প্রয়াণে আমরা মর্মাহত। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি। _______________________________________________ বানরের এ ডাল ও ডাল যাওয়ার অভ্যেস চিরকালের।কলা বাগান ছেড়ে আম বাগানে যাওয়া। সুমিষ্ট আম না পেয়ে কলা বাগানে ফিরে আসা আবার। মালিককে বলা," থাকতে চাই কলা বাগানেই। দিতে চাই সেবা সুদীর্ঘকাল।"          সেবার অর্থ যে কী? বুঝে ওঠা মুশকিল। ইদানিং সেবার অর্থ মেওয়া খাওয়াকেই বোঝায়। তাই এক বাগান থেকে আরেক বাগানে যেতে হয় বানরদের।           তুমি কে? তার লেজে ধরে টান মারার তুমি কে? তোমার কাছে লাফাতে শিখেছে বলে তোমার কাছেই থাকতে হবে কে বলেছে?            সুদীর্ঘ ঘুমহীন রাত শিখিয়ে যায় কত ঢং। সুদীর্ঘ অনুজ্জ্বল দিন দেখিয়ে দেয় কত রং। তোমার আমার কাছে পড়ে থাকে খোসা আর আঁটির বাহার।           তুমিও তো এ বাগান ও বাগান হয়েছো কখনও। হবে নাকি আরো একবার? সম্পাদক, উত্তম মাহাত দুর্গা দত্তের কবিতা ১. সদূক্তিকর্ণামৃত পরম্পরা : দুই যা ইচ্ছে তাই কথকতা বুনে যাচ্ছো মত্ত হে ধুরন্ধর গগনবিহারী গজপতি ! বিদ্যাদিগগজ তুমি , তোমার তো মুখে কেউ কুলুপও আঁটেন...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। পলাশ রঞ্জন ঘোষ

ছবি
দ্বিতীয় বর্ষ ।। পঞ্চম ওয়েব সংস্করণ ।। ৬ আষাঢ় ১৪২৮ ।। ২১ জুন ২০২১ _____________________________________________ প্রখ্যাত আলোকচিত্রী পলাশ রঞ্জন ঘোষের জন্ম ১৯৭২ সালে পুরুলিয়া শহরে। ঋষি অরবিন্দ ও পুরুলিয়া জেলা স্কুল থেকে পড়াশোনা করেন তিনি। খুব কম বয়স থেকেই ছবি আঁকার প্রতি অটুট নেশা। পুরুলিয়া জে.কে.কলেজ থেকে জীব বিজ্ঞান নিয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি যখন এগারো ক্লাসে, তাঁর বাবা তাঁর হাতে ক্যামেরা( Zenith 12 xp , সেট ছিল SLR অ্যানালগ ক্যামেরা) তুলে দেন। তাতে ফিল্ম রোল ভরে ছবি তুলতে হতো। সেই ক্যামেরা নিয়ে তিনি তাঁর বাবার সঙ্গে সোজা চলে যান প্রথম ফটোগ্রাফির শিক্ষাগুরু, বিখ্যাত ফটোগ্রাফার শ্রদ্ধেয় সুবধ মুখার্জী মহাশয়ের কাছে। তিনিই বেসিক কিছু সেটিংস বুঝিয়ে দেন, একটি রোল ভরে দিয়ে বলেন "ছবি তুলে নিয়ে এক সপ্তাহ বাদে দেখা"। এ ভাবেই শুরু হয় পথ চলা। পরবর্তী কালে পুরুলিয়ার কয়েকজন বিখ্যাত ফটোগ্রাফারের সান্নিধ্য পান তিনি। তাঁদের মুল্যবান পরামর্শে ক্রমশ নিজের দক্ষতাকে উন্নত করার চেষ্টা করেন। পেশায় স্কুল শিক্ষক এই আলোকচিত্র শিল্পী অবসর সময় পেলেই নিজের বাইক আর ক্যামেরা নিয়ে বেরিয়ে পড়েন কাছে...