পোস্টগুলি

দ্বিতীয় বর্ষ ।। পঞ্চবিংশতি ওয়েব সংস্করণ ।। ১৩ চৈত্র ১৪২৮ ।। ২৮ মার্চ ২০২২

ছবি
বৈচিত্র্যপূর্ণ ভূগাঠনিক মৌলিকত্বের জন্য পুরুলিয়া জেলা প্রাকৃতিক দিক থেকে খুবই সমৃদ্ধশালী। তাই এই জেলাকে "সুন্দরী পুরুলিয়া" বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এখানকার সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল। বহু প্রাচীনকাল থেকে লালিত-পালিত হয়ে আসা টুসু ভাদু ঝুমুর ছো নাটোয়ায় মাতোয়ারা হয়েছে এখানকার আদি নিবাসী এবং এখানে ঘুরতে আসা মানুষ। বাংলার সিনেমা জগৎ তো বটেই মুম্বাইয়ের সিনেমা জগৎকেও বহুভাবে সমৃদ্ধ করেছে এখানকার ভূমিরূপ এবং এখানকার মানুষ। তাই পুরুলিয়া জেলার পর্যটনশিল্পের সম্ভাবনা ছিল গোড়া থেকেই। কিন্তু সেই সম্ভাবনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কোনো কান্ডারী ছিলেন না। এক কথায় বলতে গেলে পর্যটন শিল্পকে সমৃদ্ধশালী করে তোলার জন্য কেউ এগিয়ে আসেননি। আর এর পেছনে যে মূল কারণ বিদ্যমান তা হল জাতিগত বৈষম্য বাদ। এখানকার আদি বাসিন্দাদের দমিয়ে রাখার অপপ্রয়াস। যার কারণেই এই জেলাকে নানা ভাবে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। অর্থনৈতিক দিক থেকে দুর্বল করে রাখার জন্য বারবার কারখানা প্রতিস্থাপন করার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেও শেষ পর্যন্ত কারখানা প্রতিস্থাপন করা হয়নি। এই এলাকাতেই যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী থা...

জলশ্যাওলার বিরহকথা

ছবি
জলশ্যাওলার বিরহকথা দীপংকর রায় ১৫ তম পর্ব              ট্রেন চলছে । ট্রাক চলছে। হুড়পাড় করে বাসনকোসোন হাঁড়ি-কলসি সসপ্যান ওঠানো নামানোর শব্দ। ওপাশে লিলিপুটের মতো মানুষগুলো। পথিকও অনেক ছোটো হয়ে গেছে যেন। ভীষণ ছোট্ট লাগছে তাকে। সে নিজেকেই চিনতে পারছে না। এরপর মানুষজনের হাহাকার রব শোনা যাচ্ছে। ছানার জলটুকু দেবে গো মা, ছানার জল ....!               ময়রা পাড়ায় ছানার জলের চাহিদা বেড়ে গেছে। ভাতের ফ্যান। ফ্যান দাও.... ফ্যান দাও গো মা..... ফ্যানটুকুই দেও.... ভাত চাইছি না গো,  ভাত চাইছি না...... ফ্যান... একটু ফ্যান.... পারলি একটু লবন দিয়ো, এক ছিটে লবন.... লবনেরও বড় দাম গো, লবন ছাড়া কি চলে? লবন যে এ পোড়া দেশ থেকে কনে গ্যালো, তা কিডা কতি পারে আর... !               ওমা, ট্যাঁপা মাছের মুণ্ডুগুলো হুমড়ি খেয়ে পড়েছে তার মুখের উপর! আবার তারা পেট ফুলিয়ে একবার মুখ ছাড়িয়ে উঠে যাচ্ছে, আবার মুখের কাছে  এসে দাঁড়াচ্ছে। তার যেন নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে। ওঁ..... ওঁ....  ও.... ও, আঁ.... আ.... আ..... ; এইসব গোঙানি শুধু।               পথিকের ঘর থেকে অনেকক্ষণ এই ধরণের আওয়াজ আসছে দেখে রুণী উঠে এসেছে মাঝের দরজা খুলে। সে চাপ...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। সন্দীপ কুমার

ছবি
সন্দীপ কুমার--------এক অনন্য প্রতিভা। ------------------------------------------------------------------- সন্দীপ কুমারের ক্যামেরা কখন যে কলম হয়ে ওঠে সন্দীপ নিজেও জানেন না। তিনি কবিতায় মগ্ন হয়ে পড়েন। সন্দীপ কুমারের কলম কখন যে ক্যামেরা হয়ে ওঠে সন্দীপ নিজেও জানেন না। তিনি তখন ক্যামেরা নিয়ে ছুটে বেড়ান মাঠ প্রান্তর। পুকুরের কাছে গিয়ে লাল শালুকের ছবিতে রাঙা হয়ে ওঠে তার ক্যামেরা। পাহাড়ের কাছে গিয়ে পাহাড়ের ছবি না তুলে, একটি পাথরের ছবি ক্যামেরায় বন্দী করেন। দেখা যায়, পাথরটি পাথর নয়, একটি মানবী মূর্তি। সন্দীপ কি নদীর ছবি ক্যামেরায় ধরেন নাকি নদী কল্লোলের ছবি ধরতে চান? যা আমাদের বুকের স্পন্দন। বিমূর্ত। যে বিমূর্ততা তার কবিতায় স্পষ্ট হয়ে যায়। তিনি সবসময় ছক ভাঙ্গা রীতিতে যাপন করেন শিল্পের মধ্যে। তার শিল্প যাপন জীবন কেন্দ্রিক। অরন্ধনের এই সংখ্যায় বাংলা নাট্যজগতের নাট্যব্যক্তিত্বদের ছবি সন্দীপ কুমারের ক্যামেরা থেকে আমাদের কাছে। আপনাদের কাছে।                                                      -----নির্মল হালদার বিভাস চক্রবর্তী Bhibhas chakrobarty তাপস সেন Tapas sen রতন থিয়াম ...

দ্বিতীয় বর্ষ ।। চতুর্বিংশতি ওয়েব সংস্করণ ।। ২৯ ফাল্গুন ১৪২৮ ।। ১৪ মার্চ ২০২২

ছবি
দুয়ারের সরকার আসলে একটা প্রহসনে পরিণত হয়েছে। এটা ঠিক যে উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়েছিল তা পরিপূর্ণ করতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ। মানুষ দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ফর্ম জমা দিলেও বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। তাই প্রচারসর্বস্ব এই দুয়ারের সরকার বন্ধ করে দেওয়া একান্ত দরকার।              দুয়ারে সরকারে জমা দেওয়া ফর্ম জমাই থেকে যাচ্ছে অথবা এমনভাবে পরিপূর্ণ করা হচ্ছে যা কোনো কাজেরই না। অর্থাৎ একটা রেশন কার্ড তৈরি করতে দেওয়া হলে তাতে ৭০% ভুল থেকে যাচ্ছে। এহেন রেশন কার্ড নিয়ে কি করবেন মানুষ? একটা দীর্ঘ হেনস্তার মধ্যে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।               কোনো একটা পরিকল্পনা বা স্কিম চালু করলে তা সঠিকভাবে চলছে কিনা তা দেখার দায়িত্ব অবশ্যই পরিকল্পনা রূপায়ণকারীর। সে কোনভাবেই এই দায় এড়িয়ে যেতে পারে না। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, এইসব কাজ দেখাভাল করার কোনো লোকই নেই।                অন্যদিকে দুয়ারে সরকার চালু হওয়ার পর থেকে পঞ্চায়েত অফিস, ব্লক অফিস সহ অন্যান্য অফিসগুলোতে প্রতিদিন যে সকল কাজকর্ম করা হতো সেইসব কাজগুলো করতেও অনীহা প্রকাশ করছেন অফিসারেরা। সেখানে সরাসরি বলে দেওয়া হচ্ছে, দুয়ারে ...