তৃতীয় বর্ষ ।। একাদশ ওয়েব সংস্করণ ।। ২৬ ভাদ্র ১৪২৯ ।। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২
কেন যে পাঁচ বছর পর পর পরব আসে? কেন যে বছর বছর পুজো হয়? ছেলেমেয়েদের টাকা দিতে দিতেই শেষ হয়ে যায় ভান্ডার। তারপর অন্যান্য পার্বণ তো রয়েইছে। সংসার কিভাবে চালাই বলো? যখন আলাদা হইনি। সুন্দর চলে যেত। বাবা চালিয়ে নিতেন সংসার। আমরা ঠেক দিতাম। এখন পটে না। বনিবনা হয়নি কোনোভাবেই। আমারটা চালাতে হয় আমাকেই। চুরিদারিও করতে হয় সে কারণে। লুকিয়ে লুকিয়ে রাখতে হয় টাকা এ ঘরে ও ঘরে সে ঘরে। দিয়েও রাখতে হয় বিশ্বস্ত কাউকে কাউকে। টানপোড়েনের সময় সেগুলোই কাজে আসে। বিপদমুক্ত হয় সংসার। সাজগোজ করতেই হবে পুজোতে । সবাইকে দিতে হলো ষাট হাজার করে। নগদ। না দিলে বনিবনা থাকবে না। প্রতি পরবে কাউকে ৩০০ কাউকে ৩০০০ কাউকে বা হাঁড়ি-কুঁড়ি, বালতি, ছাতা-গামছাও দিতে হয়। যার যেমন চাহিদা থাকে, তাকে তেমন দেওয়া। ঘরের মালিক হওয়া যে কত ঝকমারির, সে কেবল আমিই জানি। সংসারটাই ভেসে গেল আমার। বাবা দিল্লিতে থাকেন। এমনিতে গাল দিলেও সেখানে গিয়ে কতবার চেয়েছি। অন্তত ঋণটা মিটিয়ে নেওয়ার মতো টাকা দেন। দেননি। ওঁর কেবলই ইচ্ছা, সংসারটা ওঁর হাতেই থাক। আমরা কেবল খেয়ে পরে বাঁচি। তাও কি আর মানতে পারি এই ব...