পোস্টগুলি

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। অজয় মাহাত

ছবি
আলোকচিত্রী ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর পুরুলিয়া জেলার কাশিপুর থানার অন্তর্গত রামবনী গ্রামে একটি চাষি পরিবারে জন্ম আলোকচিত্র শিল্পী অজয় মাহাত-র। পিতা সুনীল কুমার মাহাত। মাতা শিবানী মাহাত।            তাঁর ছবি তোলা শুরু কলেজ জীবনে। বন্ধু দেবমাল্য মাহাত-র তোলা একটা ছবি দেখে প্রথম ছবি তোলার জন্য অনুপ্রাণিত হয়ে ওঠেন তিনি। পরবর্তীকালে কবি নির্মল হালদারের সান্নিধ্য লাভ ও বার বার বিখ্যাত আলোকচিত্র শিল্পী সন্তোষ রাজগড়িয়া মহাশয়ের ছবির মুখোমুখি হওয়া ছবি তোলার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে তাঁকে। তিনি গ্রামের ছেলে, গ্রাম্য জীবনের প্রতি খুবই আকর্ষণ অনুভব করেন সে কারণেই। তাই তাঁর ছবিতেও গ্ৰাম-জীবনের নানা ছবির সমারোহ চোখে পড়ে। এই সিরিজে তাঁর প্রথম দিকের তোলা কিছু সেই ধরণেরই ছবি দেওয়া হলো। আশা করি অরন্ধনের বন্ধুদের মনে জায়গা করে নিতে সক্ষম হবে ছবিগুলো। উত্তম মাহাত, সম্পাদক  মূল পাতায় যান।

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। মনি দাস

ছবি
এক মেদিনীর দুই পারে ‘কিরে তোর হাতের খাঁড়া কই?’ -গায়ের রং কালো, তাই, এই বলে খেপাতো সবাই রাস্তাঘাটে। যখন তিনি ঘরে ফিরতেন পড়ন্ত দুপুরে ১৫-১৬ টা গরুকে গুটিয়ে। স্কুলের ফাঁকে বা স্কুল ফাঁকি দিয়ে এটাই ছিল তাঁর অন্যতম কাজ। আরো ছিল, যেমন চাষের কাজে বাবাকে সাহায্য করা, রান্নার কাজে মাকে সাহায্য করা, ধান ঝাড়া, গোলা গোছানো আর ছোট ভাইকে সামলানো। এসবের মাঝে পড়াশোনা সত্যিই যে কতটুকু হতো আর কতটুকুই বা মাথায় ঢুকতো কে জানে! আর এটাও কেউ জানতেন না যে, বাড়িতে কেউ এলে বা কোথাও কারুর বাড়িতে যাওয়ার হলে কেন লুকিয়ে পড়তেন তিনি ঘরের কোণে! সেটা লজ্জা ছিল, না ভয়, নাকি কুন্ঠা? হয়তো বা সবকিছুই একসঙ্গে। ১৪ বছর পর আজও হয়তো পাল্টায়নি কিছুই, প্রেক্ষাপট আর অনুষঙ্গ ছাড়া। তবে এখন নতুন কোন জায়গা এক্সপ্লোর করতে বা কারোর সাথে যেচে আলাপ করতে কোন লজ্জা হয় না তাঁর। তাই আজ আর কেউ তাঁর হাতের খাঁড়ার খোঁজ করে না। বরং জিজ্ঞেস করে ‘কিরে মনি তোর ক্যামেরা কোথায়? দিবি একটা ছবি তুলে!’ দিল্লিতে চলে যাওয়ার পর জীবনের ঝড় জল রোদে পুড়ে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে তাঁর সেই কালো রং। তাই রং-এর দুঃখ আজ আর ততটা নেই যতটা আছে একটা বড়সড...

চতুর্থ বর্ষ ।। চতুর্বিংশতি ওয়েব সংস্করণ ।। ২৫ চৈত্র ১৪৩০ ।। ০৮ এপ্রিল ২০২৪

ছবি
বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়াই কোন পরিবারের বাচ্চার স্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে ওঠার পর সেই বাচ্চার বাবা-মা গৌরবান্বিত হয়ে প্রতিবেশীদের কাছে নিজেদের বড়াই করে বেড়ান যে, বহু কষ্টে বহু যত্নে বহু বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্য দিয়ে সন্তানের উন্নতি ঘটিয়েছেন তাঁরা। ঠিক সেভাবেই ভোটের মুখে নিজেদের বড়াই করে বেড়াচ্ছেন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা। কোন বিশেষ অঞ্চলের জন্য কোনকিছু বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ না করেও সেই অঞ্চলের উন্নতি নিয়ে নিজেদের নাম-গান করছেন দিনের পর দিন। যেন তাঁদেরই বিশেষ পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে সেই অঞ্চলের উন্নতি সাধন সম্ভব হয়েছে।               আসল কথা বলতে গেলে, কোন উন্নয়নশীল দেশের বিশেষ কোন একটা পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের চারপাশের অঞ্চলগুলো, সে ভিন্ন রাজ্যের হোক বা নিজ রাজ্যের, অর্থনৈতিক দিক থেকে এগিয়ে থাকলে মাঝখানে থাকা সেই পিছিয়ে পড়া অঞ্চলেরও স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংঘটিত হয়। এবং সেই উন্নয়ন সংঘটিত হয় সেখানকার অধিবাসীদের প্রচেষ্টাতেই। কিন্তু রাজনৈতিক নেতা নেত্রীরা তখন সেই অঞ্চলের উন্নয়নকেও নিজেদের প্রচেষ্টার ফসল বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এবং বড়াই করতে থাকেন যে...