ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। রঞ্জন বিশ্বাস
আলোকচিত্র-শিল্পী রঞ্জন বিশ্বাস ২৫ শে এপ্রিল ১৯৬৫ সালে হুগলী জেলার ভদ্রেশ্বরে জন্মগ্ৰহণ করেন। তিনি
দঃ পূঃ রেলেওয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে বর্তমানে সিনিয়র সেকশন ইঞ্জিনিয়ার পদে কর্মরত। চাকরি সূত্রে পুরুলিয়ায় প্রথম আসা ১৯৮৯ সালের আগষ্ট মাসে। তারপর চাকরির কারণে বদলি হয়েছেন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গায় --- সহডোল (মধ্যপ্রদেশ), কলকাতা, রাঁচী, খড়গপুর। কিন্তু প্রতি বদলির ফাঁকে ফাঁকেই বারবার পুরুলিয়ায় বদলি হয়ে আসতে হয়েছে তাঁকে।
পুরুলিয়াতে কার্যকালের বেশীর ভাগটাই কাটিয়েছেন তেলকলপাড়া আর কেতিকা রেল-কোয়ার্টারে। পুরুলিয়ার মাটির অমোঘ টানে বর্তমানে এখানেই নিজস্ব ভিটে পত্তন করেছেন রাজাবাঁধ নেতাজি আবাসনের ফ্ল্যাটে।
পুরুলিয়ার প্রকৃতি, মানুষ, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের প্রেমে পড়ে হাতে তুলে নেওয়া ক্যামেরা। ১৯৯৬ সালে প্রথম NIKON FM10. 35mm print film ক্যামেরা হাতে তুলে নেন তিনি। তারপর বহুকাল পরে ২০১৬ সালে হাতে আসে Digital SLR, CANON 600D। বর্তমানে এই আলোকচিত্র-শিল্পী ছবি তোলেন CANON 6D Mark ll তে।
ফটোগ্রাফির মধ্যে Bird Photography-ই প্রথম ও প্রধান পছন্দ। তাঁর এই পাখিপ্রেম বহু অভাবনীয় ছবির জন্ম দিয়েছে। তাঁর ছবিতে ধরা দিয়েছে পুরুলিয়ার পক্ষী জগতের বৈচিত্রময়তা ও অসীমতা যা তুলনাহীন।
বহু রকমের স্থানীয় (resident) এবং পরিযায়ী (migratory) পাখীর দেখা মেলে পুরুলিয়াতে। সেইসব পাখিদের ছবি তুলতে তুলতেই সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন চীরঞ্জিৎ পাত্র, প্রশান্ত মজুমদার ও হীরালাল মুখার্জিকে। ওঁরা বয়সে ওঁর থেকে অনেক ছোটো হলেও সমমনস্ক। তাই ওঁদের সঙ্গ ভীষণ ভাবে উপভোগ করেন তিনি। পাখির খোঁজে ওঁরা সময় পেলেই বনে বাদাড়ে, মাঠে ঘাটে, পাহাড়ে কন্দরে মনের আনন্দে ঘুরে বেড়ান। নতুন কোনো পাখির খোঁজ পেলেই ছুটে যান অযোধ্যা, ঝালদা, আড়ষা.... তাকে লেন্সবন্দী করতে। এছাড়াও সুযোগ পেলেই পুরুলিয়ার অপরূপ প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও চলমান জীবনকেও ক্যামেরায় ধরার চেষ্টা করেন যথাসাধ্য।
তিনি ছবি তোলেন নিখাদ মনের আনন্দে। ক্যামেরার মধ্য দিয়েই প্রকৃতির রূপ, রস, মাধুর্য্যে অবগাহন করে ধন্য হয়ে ওঠেন। কোনও ফটোগ্রাফিক distinction বা পুরস্কার ওঁর নেই। ফটোগ্রাফিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে দ্বিধা বোধ করেন কারণ তিনি মনে করেন তাঁর তোলা ছবির মান ফটোগ্রাফি থেকে ফটো-আর্টে এখনও পৌঁছাতে পারেনি। বন্ধু-স্বজন-পরিচিতের একটা ছোট্ট গন্ডীতে নিজের তোলা ছবি শেয়ার করেই আনন্দ পান। তাঁদের ভালো লাগলে বা কেউ প্রশংসা করলেই খুশী হন, ভালো লাগে।
উত্তম মাহাত, সম্পাদক





















দারুন সব ছবি..👌👌
উত্তরমুছুনধন্যবাদ
মুছুনসবগুলোই অসাধারণ।
উত্তরমুছুনধন্যবাদ
মুছুনঅসাধারণ
উত্তরমুছুনধন্যবাদ
মুছুনমন ভরে গেল।
উত্তরমুছুনধন্যবাদ
মুছুনধন্যবাদ
উত্তরমুছুন