পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

জলশ্যাওলার বিরহকথা

ছবি
জলশ্যাওলার বিরহকথা দীপংকর রায় ১২ তম পর্ব উনত্রিশ , তিরিশে অঘ্রাণ        ছাব্বিশ তারিখের পর আর দিনলিপির খাতায় হাত পড়েনি। কেন পারিনি, সে কথা জানি না। লিখতে ইচ্ছে করেনি তাই পারিনি। চলছে শুধুই এলোমেলো বিচরণ, এসব একটি বিষয় যেমন, তেমন হয়তো আরো আছে কিছু যা অজানা।          ওদিকে ঢাকা থেকে ফিরেই রফিকভাইএর ভাষা সংখার জন্যে পাঠানো চেক পেলাম। এই একজন মানুষ ----- যার কাছে কত ঋণ রয়ে গেল।         এর পরের পরের দিন একবার রাড়ীখালী মুখো গেলাম আবারও ------ কেন যে, তা তো জানি না! সামান্য সময়ই ছিলাম, তারপরে আবার মাগুরা।           মাগুরা পর্ব এবারের মতো সেরে অত্যন্ত ভয়ে ভয়ে শ্বশুরালয়ের দিকে পা বাড়ালাম। একবারও মন চাইনি যে তা না, চেয়েছে, ভেবেছিলাম অবাধ্য হয়ে প্রথমে আমাকে বাড়ির ভেতরে হাত ধরে নিয়ে যাবে সেই। কিন্তু না। তা আর পারলো কই ----- অভিমান? হয়তো। কিন্তু কিসের?          এসবের মধ্যেও নাকি অন্য দরদ আছে!           বারবার মনে পড়ছিল সেদিন রাতে রাড়ীখালী থেকে ফেরার সময় নদী পার করে মামার অন্ধকার পথ পেরিয়ে বাসে তুলে দিয়ে যাবার কথাটি। বাকি পথটুকু তার অন্ধকারে একা একা ফিরে যাবার চিত্রটা যেন নিমেষে চোখের সামনে দেখতে ...

দ্বিতীয় বর্ষ ।। একবিংশতি ওয়েব সংস্করণ ।। ১৭ মাঘ ১৪২৮ ।। ৩১ জানুয়ারি ২০২২

ছবি
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে এমন ঐতিহাসিক জনসংখ্যা হ্রাস কখনও দেখা যায়নি। করোনা কালের মধ্যে ১০ লক্ষ জনসংখ্যা কমল রাশিয়ার। কোভিডে মৃত্যু লুকনোর অভিযোগ পুতিনদের বিরুদ্ধে।        রোস্ট্যাটের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, রাশিয়ায় করোনাভাইরাসে ৬,৬০,০০০ জনেরও বেশি মৃত্যু হয়েছে। রাশিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটের তুলনায় এই পরিসংখ্যান অনেক বেশি। রাশিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটে মৃত্যুর সংখ্যাটা হলো ৩,২৯,৪৪৩।           শুধুমাত্র রাশিয়া নয়, সারা বিশ্বের সমস্ত দেশের সরকারি ওয়েবসাইটের করোনা মৃত্যুর তথ্যের সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল পাওয়া সম্ভব নয়। তার পিছনে কেবলমাত্র যে মৃত্যু সংখ্যা লুকোনোর বিষয়টি রয়েছে তা নয়, আরও অনেক কিছুই রয়েছে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে সরকারি ব্যর্থতা এবং রোগী ও তাঁদের পরিবারের সঙ্গে অভব্য ব্যবহারের কারণে মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে হাসপাতাল মুখো হতে চাননি সে সময়। এই সময়কালের মধ্যে জ্বর বা অন্য যা কিছু হয়েছে, সবকিছুই চেপে গিয়েছেন অথবা গ্ৰামাঞ্চলের ডাক্তারদের দিয়ে চিকিৎসা করিয়ে নিয়েছেন। ফলে করোনা হয়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে করোনা না হয়েও অনেক অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যার পরিসংখ্যান সরক...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। চিন্টু দত্ত

ছবি
সুকৌশলী আলোকচিত্র শিল্পী চিন্টু দত্ত ১৯৮৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর জন্মগ্ৰহণ করেন। ছোটোবেলা থেকেই আলোকচিত্রের প্রতি একটা অন্যরকম আকর্ষণ অনুভব করেন তিনি। পিতা কমলেশ দত্ত মহাশয়ের সুচতুর সাহচর্যে আলোকচিত্রের প্রতি গড়ে ওঠা এই আকর্ষণ শেষ পর্যন্ত তাঁকে আলোকচিত্র শিল্পী হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হয়ে ওঠে।              আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগে তাঁর আলোকচিত্র শিল্প সৃষ্টির ধারা শুরু হয়, যা এযাবৎকালেও সমানতালে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলেছে।              পুরস্কারের পিছনে না দৌড়ে শিল্প সৃষ্টির নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা এই আলোকচিত্র শিল্পী সকলের কাছে অনেক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা পেয়েছেন। এটাই তাঁর সব থেকে বেশি সাফল্য বলে মনে করেন তিনি। উত্তম মাহাত, সম্পাদক মূল পাতায় যান

দ্বিতীয় বর্ষ ।। বিংশতি ওয়েব সংস্করণ ।। ৩ মাঘ ১৪২৮ ।। ১৭ জানুয়ারি ২০২২

ছবি
রেল মন্ত্রী পাল্টায়। একটার পর একটা বাজেট পেশ হয়। নানা চমক দেওয়া হয় বাজেটে। ভাড়াও বাড়ানো হয় ফি-বছর বাজারের সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে। কিন্তু পুরোনো বয়স্ক কোচগুলোই যাত্রী বহন করতে থাকে বছরের পর বছর। মান্ধাতার আমলের নীল ট্রেনের উপর হলুদ রং করে যুবক বানানোর চেষ্টা চলতে থাকে নানাভাবে।          যে দেশে ৪০ কিমি গতিবেগ বিশিষ্ট ট্রেন অনায়াসে পাল্টি হয়ে যায় ! সেই দেশে ঘন্টায় ৩০০ কিমি গতিবেগের বুলেট ট্রেনের স্বপ্ন দেখানো হয় কিভাবে ? এই স্বপ্ন কি সত্যিই দেখা উচিত এখানকার ক্ষমতাসীন সরকারের ? নাকি যে সিষ্টেম চালু রয়েছে সেই সিষ্টেমকে প্রথমে পূর্ণাঙ্গ সুরক্ষিত করে তোলার দিকে এগোনো উচিত ?               আমাদের দেশে ভোট বড়ো বালাই। ভোটের জন্য যেখানে করোনা ছড়িয়ে পড়ার ১০০% সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন জায়গাতে মিটিং মিছিল করা হয়, বড়ো বড়ো উৎসব অনুষ্ঠান করার ঢালাও অনুমতি দেওয়া হয়, সেখানে রেলের যাত্রী সুরক্ষা নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হবে এ আর এমন কি কথা!               নেতারা বুঝতে পেরেছে ; এই দেশে রাম নামে, শ্যাম নামে, রাধা নামে ভোট পাওয়া যায়। সুরক্ষা, সুশাসন, ভালো প্রশাসন, বা জনগণের সঙ্...

জলশ্যাওলার বিরহকথা

ছবি
জলশ্যাওলার বিরহকথা দীপংকর রায় ১১ তম পর্ব                বলা চলে অলিখিত এক চুক্তিনামায় সাক্ষর হয়ে গেল দাদু আর আমার নাম । আমরা উভয়ে উভয়কে খানিকটা জীবনের নিশ্চয়তার গোপন দেনাপাওনায় বেঁধে ফেললাম যেন। আমার নানা শূন্যস্থান পূরণে তার সাহারা পেতে থাকা কীভাবে যেন ভুলিয়ে দিল তার আর আমার মাঝখানের তথাকথিত সম্পর্কের দূরত্বকে------।               মানুষের স্বভাব, সে পেলে আস্তে আস্তে নিজেকে ছেড়ে দেয় খানিকটা । মনে করে সত্যিকারের সম্পর্ক তো এটাই ; এবং সেইসব অধিকারে কোথাও যদি ফিরতি পথের কোনো দিশা না দেওয়া থাকে , তাহলে সেই পরিসর বাড়তে বাড়তে ঠিক এতটাই বেড়ে যায় ------ যা আজ বেড়ে গেছে বলে মনে হলো। যেন আজ আর ওদের দেওয়া দুই পাঁচ হাজারকে আমি আর ধার বলেও ভাবতে পারি না। আর এই দাবি , অধিকার বাড়ানোর পেছনে তাদেরই ভূমিকা বরাবরই আমার ইচ্ছা অনিচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে তাদের মতো করে। তাদের এই নিয়ন্ত্রণ আন্তরিক হোক আর বৈষয়িক হোক, যেটাই হোক, আমাকে সে কথা বুঝতে দেয়নি হয়তো নানা আচার আচরণ থেকেও সবটা পরিষ্কার ভাবে।                আর আজ, এই যে এই মুহূর্তে যে ঘটনা ঘটল তার জন্যে কি সত্যিই আমার অভিমান করা চলে ?                বিড়বি...