মতিয়ার রহমানের একগুচ্ছ কবিতা

মতিয়ার রহমানের একগুচ্ছ কবিতা 


১.
সাহস


স্বপ্ন দেখতে কি সাহস লাগে
তবু সর্বদা ভয় আমার
রাত বাড়লে এসে দাঁড়াও
চৌকাঠের ওপার।

ভোর পর্যন্ত সাথে থাকো
মুখোমুখি পাশাপাশি
বলতে তবু পারলাম কই
তোমায় আমি ভালোবাসি।



২.
কষ্ট


গভীর রাতে
মায়ের কাছে
আঁচল পেতে শোওয়া।

বৃদ্ধাশ্রমের চিতায় তুলে
সন্তান সেও হস্টেলে
সার হয়েছে বউয়ের বকুনি খাওয়া।



৩.
যশ


তীব্র দাবদাহ কোমল শরীরে আগুনের আঁচ
জীবন্ত জতুগৃহে পুড়ছে
নির্মল আকাশ।

তীব্র আক্রোশে ফুঁসছে নদী
অভিমানাহত নারীর নিঃশ্বাসে বিষ
আরেকটি যশ।



৪.
আহ্বান


মিতালি ভালো থাকিস তাদের জন্য
যারা থাকে তোর ভরসাতে।
ঈদ শারদীয়ায় গুণি প্রহর
তোর শুভেচ্ছার বরষাতে।।

মিতালি তোর জন্য কাদঁছে নদী
ডাকছে কাছে আয়।
লাগবে ভালো কি
কাশফুল আর হলুদ বিকেল
যদি ভুলে যায়?




কবি পরিচিতি


মতিয়ার রহমান
জন্ম : ৪ ঠা জানুয়ারি ১৯৭০
স্থায়ী আবাস: সহেলি
গ্রাম ও ডাক ঘর: কলহপুর
ভায়া: মুরার ই
জেলা: বীরভূম
পশ্চিম বঙ্গ। ভারত।
মতিয়ার রহমান ময়ূরাক্ষী নন্দিনী সাহিত্য ও পাঠচক্রের সাধারণ সম্পাদক। নজরুল একাডেমী কবি তীর্থ চুরুলিয়ার ‌আজীবন সদস্য। পশ্চিম বঙ্গ বিঞ্জান মঞ্চের ‌আজীবন সদস্য। বীরভূম প্রান্তিক সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য। মূলত গল্প কার । ছোট গল্প, অণুগল্প রচনায় সিদ্ধহস্ত। অবসর অবকাশ পেলেই ঝোলা কাঁধে বেরিয়ে পড়েন কাছে পিঠে। বাইরে দূরে। ভ্রমণ পত্রিকায় লেখালেখি পছন্দ করেন। পত্র সাহিত্য রচনায়ও‌ যথেষ্ট দক্ষ, সাহসী। নির্ভেজাল স্বাভাবিক সাহিত্য আড্ডা ভালোবাসেন। শখ বলতে বই পড়া, বেতার শোনা, থিয়েটার দেখা। ওনার ইচ্ছে ওপার বাংলার সর্বত্র ঘুরে বেড়ানো ‌ এবং মক্কা মদিনার পথে প্রান্তরে হাঁটার।








মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। মোহন পরামানিক

নৈঃশব্দ এবং ‘এক ভূ-পর্যটকের দলিল’ বিষয়ে।

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। সন্দীপ কুমার