পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। ভাস্কর্য শিল্প ।। দেবাশিস রায়

ছবি
_______________________________________________ শিল্পীর পরিচিতি ভাস্কর্য শিল্পী দেবাশীষ রায়ের জন্ম ১৯৯৬ সালের ৩রা জানুয়ারি। পুরুলিয়া জেলার বাতিকরা গ্ৰামে জন্মগ্ৰহণ করেন তিনি। তারপর গ্রামেরই বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর ভর্তি হন কলকাতার গভর্নমেন্ট আর্ট এন্ড ক্রাফট কলেজে। সেখান থেকে ভাস্কর্যে ও চারুকলায় স্নাতক হন। ভাস্কর্যের মধ্যে কাঠ খোদাই, পাথর খোদাই, সিমেন্ট ঢালাই, ফাইবার, মেটাল ঢালাই, সিরামিক, গ্লাস, এবং মৃৎশিল্পের মূল বিষয়গুলিতে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন। এছাড়াও পেইন্টিং এবং অঙ্কনেও অসামান্য দক্ষতা বিদ্যমান। তিনি নিপূণভাবে ওয়েল পেইন্টিং, চারকোল পেইন্টিং এবং ওয়াস পেইন্টিং করতে পারেন। তবে কারুকাজ এবং ডিজাইনের প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে এই শিল্পীর। প্রদর্শনী ও অংশগ্রহণ :- ২০১৫ : রাজ্য চারুকলা পরিষদ, চারুকলা শিক্ষা শিবির-ও-আলোচনাচক্র। ২০১৫-১৬ : জেলা স্তর - কারুশিল্প প্রতিযোগিতা, রাজ্য স্তর - রাজ্য হস্তশিল্প প্রতিযোগিতা। ২০১৬-১৭ : জেলা পর্যায় - কারুশিল্প প্রতিযোগিতা। ২০১৮-১৯ : জেলা স্তর - কারুশিল্প প্রতিযোগিতা, রাজ্য স্তর - রাজ্য হস্তশিল্প প্রতিযোগিতা। ২০১৯...

তৃতীয় বর্ষ ।। অষ্টাদশ ওয়েব সংস্করণ ।। ৩ পৌষ ১৪২৯ ।। ১৯ ডিসেম্বর ২০২২

ছবি
একদিন হঠাৎ এক কাক সৃষ্টিকর্তাকে জিজ্ঞেস করে বসল------ মনুষ্য চরিত্রের মধ্যে সবচেয়ে জটিল চরিত্র কোনটি প্রভু?      প্রভু সহাস্যে উত্তর দিলেন------ কবি চরিত্র।            কাক সৃষ্টিকর্তার মুখের দিকে তাকিয়ে চুপচাপ কিছুক্ষণ থাকল। তারপর বলল------ এ কি কথা বললেন প্রভু! কবিরা তো সহজ সরল প্রকৃতির হয়ে থাকেন। প্রকৃত মানুষের মতো আচরণ করেন। মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করার চেষ্টা করেন। অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন। সামাজিক কুসংস্কার দূর করার কাজে অগ্ৰণী ভূমিকা পালন করেন। সেই তাঁরা জটিল কীভাবে হয়? এ তো অসম্ভবের কথা।             প্রভূ শান্তভাবে বললেন------ আচ্ছা বলো তো, তুমি তো কাক সমাজের একজন বিশিষ্ট কবি। তুমি কি অন্যের কবিতা পড়ো? --------পড়ি প্রভু। --------কেন পড়ো? --------তাকে ও তার কবিতাকে অন্যের কাছে তুলে ধরার জন্য। --------কিন্তু মনুষ্য সমাজের কবিরা কদাচিৎ তা করে থাকে। তারা কেবল নিজেকে তুলে ধরার কাজেই ব্যস্ত থাকে। এমন কি কোথাও তাদের লেখা প্রকাশ হলে সেই ম্যাগাজিন হাতে আসার পর কেবলমাত্র নিজেরটা পড়েই রেখে দেয়। --------সে তো ব্যস্ততার কারণে প্রভু। --------একই ভাবে স...

তৃতীয় বর্ষ ।। সপ্তদশ ওয়েব সংস্করণ ।। ১৮ অগ্ৰহায়ণ ১৪২৯ ।। ৫ ডিসেম্বর ২০২২

ছবি
পিঁপড়ের মরণ এলে ডানা গজায়। সেই ডানা নিয়ে আগুনের দিকে অথবা জলাশয়ের দিকে উড়ে যায় সে। অথবা ঋষি এবং মূষিকের গল্পটা অনেকেরই জানা থাকবে হয়তো। মূষিক থেকে কিভাবে ধীরে ধীরে সিংহে পরিণত হয়েছিল সে। তারপর সিংহ হয়ে ঋষিকে গিলে খেতে গিয়ে পুনরায় পরিণত হয়েছিল মূষিকে। ঋষির ধৈর্যসীমা পার করে যাওয়ার ফলস্বরূপ ঋষির মুখ থেকে উচ্চারিত হয়েছিল, "পুনর্মূষিক ভব।" আর সঙ্গে সঙ্গে মূষিকে পরিণত হয়েছিল সিংহ।     বাংলার গ্রামাঞ্চলের মানুষ ঋষি তুল্য একথা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাও যদি আবার পুরুলিয়ার মানুষ হয়ে থাকেন। কিন্তু তাদেরও তো একটা ধৈর্যসীমা থাকবে?           তুমি মূষিক ছিলে। বিড়ালের হাত থেকে বাঁচাতে বিড়াল। সিংহের হাত থেকে বাঁচাতে সিংহ বানিয়েছেন মানুষ। তাই বলে মানুষকেই খেতে যাবে?            পুনরায় মূষিক হওয়ার সময় এসেছে তোমার। মূষিক তোমাকে হতেই হবে। নতুবা নিজের অফিসার দ্বারা অ্যাপ্রুভড হওয়া লিস্ট বাতিল করে পুনরায় নিজের মতো করে সার্ভে করানোর ইচ্ছে জাগে?            এর অর্থটা কি এই নই যে, যে সকল অফিসারেরা তা অ্যাপ্রুভড করেছিলেন তাঁরা গাঁজাখোর ছিলেন? তাঁরা ভুল রিপোর্ট পেশ করেছেন? ...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। চিত্রশিল্প ও উডকাট ওয়ার্ক ।। পাঁচু গোপাল দত্ত

ছবি
চিত্রশিল্পী পাঁচু গোপাল দত্ত পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশনের শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘ জীবন কাটানোর পর কয়েক বছর আগে পরলোক গমন করেন। তার আগে পর্যন্ত শিল্পী কুনাল মন্ডলের সঙ্গে খুবই ঘনিষ্ঠতা ছিল এই শিক্ষক তথা শিল্পীর। সেই সূত্র ধরেই শিল্পী কুনাল মন্ডলের দীর্ঘদিন যাতায়াত ছিল পুরুলিয়ার সিঙ্গার পট্টিতে অবস্থিত তাঁর হাডকোর ফ্ল্যাটবাড়িতে। তিনি স্নেহভাজন ছিলেন শিল্পীর সহধর্মিনীরও। তাই শিল্পীর পরলোক গমনের পর শিল্পীর ব্যবহৃত বেশ কিছু দ্রব্য সামগ্রী এবং পাসপোর্ট সাইজের কিছু আঁকা ছবিসহ কিছু উডকাট কুনাল মন্ডলের হাতে তুলে দেন তাঁর সহধর্মিনী। সেইসব উডকাট এবং কয়েকটা ছবি কুনাল মণ্ডলের হাত ধরে এসে পৌঁছায় আমার কাছে। আজ সেই সব চিত্রকর্ম এবং উডকাটের প্রতিলিপি আপনাদের কাছে তুলে ধরা হলো। আশা করি সেই সব শিল্পকর্ম আপনাদের আনন্দ দিতে সক্ষম হবে। উত্তম মাহাত, সম্পাদক শিল্পী কুনাল মন্ডলের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। মূল পাতায় যান