পোস্টগুলি

ছবি প্রদর্শ-শালা

ছবি
ছবি দেখতে গেলেও চোখ তৈরি করতে হয়। এই সত্য কথাটা অনেকেই জানেন না বলে চিত্রশিল্পীর কঠিন পরিশ্রমে সৃষ্টি করা চিত্র প্রদর্শনের সময় চিত্রশিল্পীকে সেই চিত্রের আভ্যন্তরীণ অর্থ জানতে চেয়ে বিব্রত করে তোলেন।              এই আভ্যন্তরীণ অর্থ বলে বুঝিয়ে দেওয়ার নয়। উপলব্ধির বিষয়। এই অর্থটা বোঝার জন্যই তৈরি করতে হয় চোখ আর মনকে। বার বার দেখতে হয় বিভিন্ন ধরনের চিত্র। অর্থ ছাড়াও বুঝতে শিখতে হয় তার নান্দনিকতাকে। তাহলে আর শিল্পীর কাছ থেকে জানতে চাওয়ার বালাই থাকে না।              আমরা অনিকেতের বন্ধুরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন শিল্পীর ফটোগ্রাফি, চিত্রশিল্প, কোলাজ, ডোকরা শিল্প, ভাস্কর্য শিল্প ও অন্যান্য শিল্পকর্ম আপনাদের সামনে তুলে ধরার যথাসাধ্য প্রয়াস করবো। উত্তম মাহাত, সম্পাদক চিত্র সংগ্ৰাহক-কবি নির্মল হালদার

প্রথম বর্ষ ।। চতুর্থ ওয়েব সংস্করণ ।। ২৫ আশ্বিন ১৪২৭

ছবি
স্কুলে পড়তে গিয়ে শিক্ষা পেয়েছিলাম। যেমন হোক, যতটুকু হোক শিক্ষা দিয়েছিলেন আমার শিক্ষক শিক্ষিকারা। সেই শিক্ষাদানের কাজে সহায়ক হয়েছিল তখনকার সরকারি শিক্ষানীতি। আর এখনকার ছেলেমেয়েরা স্কুলে পড়তে গিয়ে চাল পাচ্ছে, ডাল পাচ্ছে, এক কথায় পেট ভরে খেতে পাচ্ছে। পাচ্ছে স্যানিটাইজার, মাক্স, হাত ধোয়ার সাবান। কিন্তু মূল বিষয় শিক্ষাটাই পাচ্ছে না। এও এক রাজনীতি। সবাই সমান শিক্ষা পেলে মজুর তৈরি হবে কিভাবে?             এই সামান্য নীতিটুকু বুঝে ওঠার ক্ষমতা নেই অনেকের। তাই, ঘুঁটে পোড়ে আর গোবর হাসে, বিষয়টা চলে আসছে ধারাবাহিকভাবে। আমরা বলতে পারছি না----দয়ার দানসামগ্রী নয়, আমাদের ন্যায্য পাওনা শিক্ষাই দরকার। যা দিয়ে অনেক অনেক চাল, ডাল এবং মাক্স কিনে নিতে পারবো। উত্তম মাহাত, সম্পাদক                     Artist : Sunil Bambal, Chikhli, Maharashtra                            যৌথতা ভেঙ্গে যায় (দ্বিতীয় কিস্তি) নির্মল হালদার মনে আছে উত্তম মাহাত আমার ডেরা...

প্রথম বর্ষ ।। তৃতীয় ওয়েব সংস্করণ ।। ১১ আশ্বিন ১৪২৭

ছবি
আকাশে  সাদা মেঘের ছড়াছড়ি। বাতাসে পূজোর গন্ধ।আর মাঠেঘাটে কাশের শুভ্রতা। সবুজ ধান গাছের বুক চিরে শিসের বেরিয়ে আসা। এ সবের মাঝে সহজ হয়ে ওঠা আমাদের জীবন যাপন।            এবার এগিয়ে আসছে ভোট। কোরোনার আবহকে জোর করে পাল্টে দিয়ে মিটিং মিছিল, প্রচারের আবহ তৈরির চেষ্টা চলছে সরকারি ভাবে।            এতে ক্ষতি হবে আমাদেরই। তবু আমরা মেনে নেব। নেতাদের সাথে সাথে ভোট তো আমরাও চাই। আমরাও চাই তীব্র রোদে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে। নিজের অধিকার ফলাতে।              সেভাবেই শেখানো হয়েছে আমাদের। সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে আমাদের মনকে। সবকটা প্রতিনিধি অযোগ্য হলেও কাউকে না কাউকে ভোট দেবই দেব আমরা। ভোট না দিয়ে থাকতে পারব না। উত্তম মাহাত সম্পাদক                     চিত্রশিল্পী : মুক্তা গুপ্তা, জামশেদপুর যৌথতা ভেঙে যায় নির্মল হালদার ২০০১  এ বন্ধুদের সহযোগিতায় আমার একটি ঘর হলো। ঘর না বলে ডেরা বলতেই ভালো লাগে আমার। ঘর মানেই তো, শুশ্রূষা। হাসিমুখের আহ্বা...

প্রথম বর্ষ ।। দ্বিতীয় ওয়েব সংস্করণ ।। ২৮ ভাদ্র ১৪২৭

ছবি
   লকডাউনের জঞ্জাল থেকে ধীরে ধীরে আনলকের দিকে এগোচ্ছি আমরা। এগোচ্ছি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ঘেরাটোপের মুক্তির দিকে। এগোচ্ছি করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক কাটিয়ে উঠে সাভাবিক জীবন যাপনের দিকে, একটা উৎসবের দিকে, জয়যাত্রার দিকে, মহানন্দের দিকে।              একটা অনুজীব, শুধুমাত্র দেশান্তর রেখা নয়, সমস্ত সীমারেখার গন্ডি পেরিয়ে সমস্ত দেশের মানুষকে শাসন করে চলে গেল। আর আমরা যে উন্নত প্রযুক্তি বিদ্যা নিয়ে দিন প্রতিদিন অহংকারে ডগমগ করি সেই প্রযুক্তি বিদ্যা কিছুই সুরক্ষা দিতে পারলো না আমাদের। প্রকৃতির হাতেই ছেড়ে দিতে বাধ্য হলাম সমস্ত ভার। প্রকৃতিই জিতিয়ে দিল আমাদের। অথচ প্রতি মুহূর্তে তাকে নিয়ে ছিনিমিনি করার অভ্যাস ছাড়তে পারিনি আজও। হে মানুষ! কোথায় তোমার মান, কোথায় তোমার হুঁশ ? উন্নত প্রযুক্তি ঘরের কোনায় বন্দি করছে তোমাদের। উত্তম মাহাত সম্পাদক                             ছবি : সন্দীপ কুমার ডরোথী দাশ বিশ্বাসের কবিতা ১. বিচিত্র ভুবন... বিশ্বাস করা খুব কঠিন, তবু বিশ্বাস ...