পোস্টগুলি

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। কিশোর দাস

ছবি
আলোকচিত্র শিল্পী কিশোর দাসের বাড়ি মহানগরী কলকাতায়। তিলোত্তমা এই শহরেই স্কুল জীবন এবং কলেজ জীবনও অতিবাহিত হয় তাঁর। পরে পুনের সিমবায়োসিস (MBA from Symbiosis Pune) থেকে এমবিএ করেন। এবং ব্যাঙ্গালোর থেকে করেন ইনফরমেশন টেকনোলজির উপর এমএসসি (MSc in Information Technology from Bangalore)।         ৪৫ বছর বয়সী জনপ্রিয় এই আলোকচিত্র শিল্পী কলকাতা, ব্যাঙ্গালোর ও পুনেতে দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে আইটি সেক্টরে কর্মজীবন অতিবাহিত করেন। তারপর ২০২০ সাল থেকে কেবলমাত্র ফটোগ্রাফি নিয়েই জীবন অতিবাহিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।          তিনি বিশ্বের নানা প্রান্তে ভ্রমণ করতে এবং সেই সব অঞ্চলের প্রকৃতি মানুষ এবং সংস্কৃতির ছবি তুলতে পছন্দ করেন। তাই বর্তমান সময়ে ছবি তোলাটাই তাঁর Passion বললে অত্তুক্তি হয় না।            সেই Passion-এর ভেতর আরও বেশি করে নিবিষ্ট হতে এবং আরো বেশি বেশি দেশে ঘোরার লক্ষ্যেই ২০২০ তে চাকরি ছেড়ে দেন তিনি।            তিনি গর্বের সঙ্গে জানান,"ঘুরে বেড়ানো এবং ছবি তোলাটাই বর্তমানে কাজ আমার।"          তিনি বিভিন্ন ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতাতে অংশগ্রহণ করেন এবং বেশ কিছু পুরস্কারও পেয়েছে...

তৈমুর খানের কবিতা

ছবি
তৈমুর খানের কবিতা ১ আমার নষ্ট হরিণীকে বাধ্য হয়ে এগিয়ে যাচ্ছি তোমার দিকে তুমি তেমন নারী নও, রসের কলসি রাখোনিকো ভরে মাথায় তোমার ফোটে না রজনীগন্ধা সমুদ্রের ঢেউ থেমে নেই বুকে আমার নৌকা শুকনো খাতে পুষছি বারোমাস বর্ষাবিহীন বালির মরু কেবল অবিশ্বাস উষ্ণ হয়ে উঠছে ধুধু বুকে শ্যামলিমা মৃত , অনুচ্ছ্বাস কেমন করে তোমার হাতে রাখব এই হাত ? স্পর্শগুলি বিদ্ধ করে কাচ রক্ত ঝরে, রক্তে সাঁতার কাটে যন্ত্রণার মাছ অন্ধকার তুমি এখন চাঁদনিবিহীন রাত বাধ্য হয়ে তোমাকে দিই গানের স্বরলিপি রত্নাকরের বুকে জমে বল্মীকের ঢিপি ২ যিশুজন্ম                   মুঠো খুলে দেখাচ্ছি তোমাকে আমার মুঠোয় তোমারই মাথার চুল মসৃণ ভোর হয়ে আছে একান্ত নিজস্ব ভোর এই ভোরে কোনওদিন বিষপান করব না আমি মাইল মাইল পথ হেঁটে যাব হেঁটে হেঁটে যাব আশ্চর্য পাহাড়ের দিকে আমারই প্রেমের ক্রুশকাঠে আমাকেই বিদ্ধ করে রাখে ৩ গাছ                 কে আর আড়ালে যেতে চায়! সবাই একদিন নেমে আসে উঠোনে সবাই একদিন দুই হাত তুলে এই মাটি আলো বাতাসে গাছ হয় গাছে ফুল ফোটে, ফল ...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। সন্দীপ কুমার

ছবি
আলোকচিত্র শিল্পী সন্দীপ কুমার মগ্ন চৈতন্যের মানুষ। তিনি কখন যে কোন্ বিষয়ে মগ্ন হয়ে পড়েন নিজেও জানেন না। বিষয়বস্তুর গভীরে ডুব দিতে দিতে ফ্রেমবন্দী করে আনেন বস্তুর আভ্যন্তরীণ গঠন ও তার মগ্নতাকে। সেই ফ্রেমবন্দী বিষয়বস্তুটুকুই আশ্চর্য করে তোলে আমাদের। আমরা হারিয়ে যাই তার গভীরতায়। কখনো প্রকৃতি, কখনো মনুষ্য সৃষ্ট বিষয়বস্তু, কখনো বা মানুষ নিজেই তাঁর শিল্পের মাধ্যম হয়ে ধরা দেয় ক্যামেরার লেন্সে। আর নিজেকে প্রদর্শিত করে নতুন ভাবে। নতুন রূপে। সন্দীপ কুমার কলকাতার মানুষ হলেও সেই সীমানাকে ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়েন প্রকৃতির রন্ধ্রে রন্ধ্রে। তিনি ছড়িয়ে পড়েন পুরুলিয়ার মাঠ প্রান্তরে পড়ে থাকা পাতার শব্দে। ছড়িয়ে পড়েন নদীখাতে বয়ে চলা জলের কুলুকুলু ধ্বনিতে। ছড়িয়ে পড়েন পাহাড়ের কোল ঘেঁসে বয়ে চলা বাতাসের শব্দে। আবার কখনো বা হঠাৎ করে পৌঁছে যান কোনো প্রান্তিক কবির কাব্যময় দুনিয়ার মায়াময়তায়। নাগরিক জীবনের বাইরে তিনি সহজিয়া সাধক। অথচ অভ্যন্তরে নাগরিক জীবনের বাতাবরণকে ভেদ করার অদম্য শক্তি নিয়ে দিনযাপন। তাই হঠাৎ করেই পৌঁছে যান কোনো কবির মননকে ভেদ করার প্রয়াসে।  তিনি যে ক্যামেরা দিয়েই ক...

তৃতীয় বর্ষ ।। দ্বাদশ ওয়েব সংস্করণ ।। ৯ আশ্বিন ১৪২৯ ।। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

ছবি
কয়েকদিন আগেই একটি সম্প্রদায় থেকে ট্রেন অবরোধ চললো। বদলে গেল কর্ম জীবনের পুঙ্খানুপুঙ্খ ধারাবাহিকতার অনেক কিছু হিসেব।  আমার কলকাতা যাওয়া হলো না। বেশ কয়েকজন মানুষের জন্য পূজোর কাপড় নিয়েও আসা হলো না একই কারণে।              চুলচেরা আর্থিক হিসেব নিয়ে বেরিয়ে আসা মানুষের হিসেব মিলল না কোনোভাবেই।            প্রতিদিন যে মানুষটা সময় মতো বেরিয়ে সময় মতো পৌঁছে যেতেন গন্তব্যে। তিনি আর পৌঁছলেন না।             সেই সম্প্রদায়ের দাবি পূরণে দায় ঠেলাঠেলি দীর্ঘায়িত করলো যন্ত্রনা। দীর্ঘায়িত করলো আমাদের পথ। অথচ কালীসাধক গাইতে থাকলেন-----                "দোষ কারো নয় গো মা,                  আমি স্বখাত সলিলে ডুবে মরি শ্যামা                   দোষ কারো নয় গো মা..." সম্পাদক : উত্তম মাহাত  ______________________________________________ যাঁদের লেখায় সমৃদ্ধ হলো এই সংস্করণ ______________________________________________ বিশ্বম্ভর নারায়ন দেব / তৈমুর খান / নিমাই জানা / হাবিবুর রহমান এনার / অয়ন জোয়ারদার / মোহাম্মদ বিলাল / রামানুজ মুখোপাধ্যায় / রুমি চৌধুরী / শ্রীদাম কুমার / তপন পাত্র ...