ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। সন্তোষ রাজগড়িয়া
দ্বিতীয় বর্ষ ।। দ্বাদশ ওয়েব সংস্করণ ।। উৎসব সংস্করণ ।। ১০ আশ্বিন ১৪২৮ ।। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
_____________________________________________
সালটা ১৯৭২। কলেজের এক্সকারশনে বেড়াতে গিয়েছিলেন দার্জিলিং। বাঙালির চিরপরিচিত দার্জিলিং। দাদার হাত থেকে হাতবদল হয়ে ক্যামেরাটি সেদিন চলে এলো ছোট ভাইয়ের হাতে। ইয়াশিকা ক্যামেরা। সেই মুহূর্তটি যে দায়ী থাকবে আগামী দিনে এক অবিসংবাদী আলোকচিত্রশিল্পী নির্মাণে সেদিন সেটা বোঝা যায়নি। সেই ছোট্ট ইয়াশিকা দিয়ে হাত পাকানো শুরু। আর থামেনি। কেবল এগিয়ে চলা।
ডিজিটাল ক্যামেরার মতো যতো খুশি ততো ছবি তোলার উপায় ছিল না। খরচ ছিল হাতের নাগালের বাইরে। তবু অসম্ভব জেদ আর নেশাকে সম্বল করে সেই থেকে পথ চলা শুরু পুরুলিয়া জেলা তথা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রশিল্পী সন্তোষ রাজগড়িয়ার।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পশ্চিম প্রান্তের জেলা পুরুলিয়ার এক ব্যবসায়ী পরিবারে জন্ম ১৯৫৩ সালের ৯ আগস্ট। ছেলেবেলা থেকেই হঠাৎ করে ক্যামেরা নিয়ে নেশা তৈরি হয়। তারপর আস্তে আস্তে পৃথিবী-বিখ্যাত ফটোগ্রাফারদের ছবি ও জীবনী প্রভাবিত করে তোলে আলোকচিত্রশিল্পী সন্তোষকে। S Paul, Raghu Rai, ফ্রান্স দেশের Henry Cartier Bresson, আর্জেন্টিনার বিখ্যাত ফটোগ্রাফার Pedro Luis Raota প্রভৃতি পৃথিবী বিখ্যাত ফটোগ্রাফারদের ছবি দেখে উদ্বুদ্ধ হোন মনে মনে আর জীবনের পঞ্চাশটা বছর কাটিয়ে দেন মূলত পুরুলিয়ার মানুষের জীবন, সংস্কৃতি, আচার-আচরণ ও উৎসবের ছবি তুলে। জেলার মানচিত্রকে তুলে ধরেন আন্তর্জাতিক মহলে। আর অনায়াসে জয় করেন বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার।
ঘটনাক্রমে নিজেই একদিন ক্যামেরা হাতে তুলে নিয়েছিলেন তবুও তাঁকে ক্যামেরার কিছু প্রযুক্তিগত খুঁটিনাটি বিষয়ে শিখিয়েছিলেন তাঁর বন্ধু, আরেক প্রথিতযশা আলোকচিত্রশিল্পী মহাদেবলাল বড়াই এবং এই আলোকচিত্রশিল্প বা যেকোনো শিল্প-সাহিত্যের নান্দনিক বিষয়টি জেনেছেন তাঁর দাদা বিশিষ্ট হিন্দি সাহিত্যিক শ্যাম অবিনাশের কাছ থেকে।
দু'জনের কাছেই ঋণ স্বীকার করেন সন্তোষ। স্বভাবে লাজুক, অন্তর্মুখী সন্তোষের পুরস্কারের তালিকা শুনলে বা দেখলে চক্ষু ছানাবড়া হওয়া ছাড়া উপায় নেই।
তাঁর কাজে গর্বিত হবেন সকল পুরুলিয়াবাসী।
Nikon Photo Contest , Japan (thrice), Asian Cultural Centre for UNESCO, Japan( thrice), National Photo Awards, New Delhi (thrice), AFIAP Honour from International Federation of Photographic Arts, এছাড়া দুইশত-র উপরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার রয়েছে ওঁনার ঝুলিতে।
তরুণ প্রজন্মের জন্য ওঁনার বার্তা শুনতে চেয়েছিলাম আমরা। তিনি সহজ সরল লাজুক ভঙ্গিতে বলেন কঠিন পরিশ্রমের কথা- 'There is no shortcut to success'.
ছবি তোলার সাথে সাথে দেশ-বিদেশের ফটোগ্রাফি সম্পর্কে পড়ারও উপদেশ দেন তরুণ প্রজন্মকে। শুধু তাই নয়, পুরুলিয়ায় এখন যাঁরা ছবি তুলছেন তাঁদের ছবি তাঁর যে ভালো লাগে ও ভীষণ পছন্দের সে কথাও গোপন রাখেননি শিল্পী সন্তোষ রাজগড়িয়া। শিল্পীর পছন্দের কুড়িটি ছবি নিয়ে আজকের এই প্রদর্শনী আপনাদের জন্য তুলে ধরতে পেরে আমরা গর্বিত।
উত্তম মাহাত, সম্পাদক





















Amazing presentation. Very nice work. Long live the greatest photo-artist from Purulia. Pranam
উত্তরমুছুনAmazingly nice as always. Santosh is a gem of the person. Great artist.
উত্তরমুছুনঅসাধারণ! আমার শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানবেন। ভালো থাকুন।
উত্তরমুছুনJust mind-blowing
উত্তরমুছুনআপনার উদাহরণ একমাত্র আপনিই স্যার। আপনাকে আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাচ্ছি
উত্তরমুছুন🙏🙏🙏
আপনার প্রতীভাকে ষ
উত্তরমুছুনঅপূর্ব
উত্তরমুছুনExcellent photos...
উত্তরমুছুনঅসাধারণ; সরল অথচ সুন্দর, শাশ্বত!
উত্তরমুছুন🙏🙏 অসাধারণ 🙏🙏
উত্তরমুছুন"বিপুল এ পৃথিবীর কতোটুকু জানি "- এটাই আর একবার জানলাম- Sanjay adhikary
উত্তরমুছুনঅসাধারণ সৃষ্টি
উত্তরমুছুন