পোস্টগুলি

প্রথম বর্ষ ।। অষ্টম ওয়েব সংস্করণ ।। ৭ অগ্ৰহায়ণ ১৪২৭

ছবি
                   উৎসর্গ: কবি অলোক রঞ্জন দাসগুপ্ত                                 ছবি : সন্দীপ কুমার ১৮ ই নভেম্বর:২০২০ দুর্গা দত্ত হরিণ টিলা-য় একা একা উড়ে গেল বুধুয়ার পাখি ... দূরে দূরে হাওয়ায় হাওয়ায় ছুঁয়ে গেল অলৌকিক ভাদরিয়া ঝুমুরের বোল দেশজ বৈষ্ণব মৃদু করতালে সহজিয়া সুরে সাঁওতাল পাড়ায় আর শান্ত রিখিয়ায় ধরিত্রীর নীবিবন্ধে চরাচরে আনাচে কানাচে গান ধরে চিরজীবিতের -- বোল ওঠে আকাশ সীমায় ---------------------------------------- *হরিণ টিলা -- জার্মানির হাইডেলবার্গ শহর সংলগ্ন হির্শবার্গ -- এর অলোকরঞ্জনকৃত বাংলা নামকরণ । কথাবার্তা-১ মধুপর্ণা কর্মকার আমাদের সমাজের দিকে যদি তাকাই তাহলে দেখতে পাব মেয়েদের স্বাধীন জীবন যাপনে পিতৃতন্ত্রের বেজায় আপত্তি। জীবন যাপন, চালচলন, পােশাক আশাক, রুচি অভ্যাস সবই করতে হবে" নিয়ম মতে"। আসলে এই নিয়মের সূত্রগুলাে যদি খােলার চেষ্টা করি তাহলে আমরা দেখতে পাব মেয়েদের কাছ থেকে সমাজ যা চায়, তা হল পরিষেবা। তাই তাকে বেঁধে রাখ...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। পুরুলিয়ার দেওয়াল চিত্র ।। অভিজিৎ মাজী

ছবি
      ৭ অগ্ৰহায়ণ ১৪২৭ / ২৩ নভেম্বর ২০২০ _______________________________________________ পুরুলিয়া জেলার বরাবাজার থানার অন্তর্গত ভাগাবাঁধ গ্ৰামে ১৯৮২ সালের ১ লা মে জন্মগ্ৰহণ করেন আলোকচিত্রী অভিজিৎ মাজী। পেশায় শিক্ষক এই আলোকচিত্র শিল্পীর ছোটবেলা কাটে গ্ৰামের অত্যন্ত সহজ সরল পরিবেশে বেড়ে ওঠা আর পাঁচটা ছেলের মতোই। ফলে তখন থেকেই গ্ৰামের পরিবেশের সাথে একটা মেল বন্ধন গড়ে ওঠে তাঁর। সামান্য বিষয়গুলোর মধ্যে খুঁজে পান বিশেষ গভীরতা।              হাইস্কুলের গন্ডি পেরিয়ে যখন উচ্চ শিক্ষার জন্য শহরে পাড়ি দেন তখনও ফটোগ্ৰাফির দিকে খুব একটা ঝোঁক ছিল না তাঁর। বরং সে সময় কবিতা লেখার প্রতি বিশেষ অনুরাগ লক্ষ্য করা যায়। সেই কবিতা লেখার সূত্র ধরেই অনিকেত গোষ্ঠীর সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর।              এম এ( ইংলিশ ), বি এড করার পর শিক্ষকতার কাজে যুক্ত হয়ে পড়েন তিনি। তবে এই সময় ফোটোগ্ৰাফির নেশা পেয়ে বসে তাঁকে। যখনই সুযোগ পান তখনই পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে খুঁজে আনেন প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে ভরা ভূমিরূপের সন্ধান। বিশেষ করে অযোধ্যা পাহাড়ের গজাবেড়াকে (গোর্গাবুরু) কেন্দ্র করে ফটোগ্রাফির যে সিরিজ...

প্রথম বর্ষ ।। সপ্তম ওয়েব সংস্করণ ।। ২৩ কার্তিক ১৪২৭

ছবি
আমাদের এই জীবন আমাদেরই নয়। আমরা নিজেদের জীবনের সাথে সাথে অন্যের জীবনেরও গাথা গেয়ে চলি সব সময়।            এই যে শীত নেমে আসছে। মাঠ থেকে ফসল তুলছে চাষিরা। ফাঁকা হয়ে আসছে মাঠ। অথবা হালকা হয়ে আসা ধূলায় ভরে উঠছে আকাশ। এ সবই আমাদের কারো না কারো জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমরা কখনও এ সবের বাইরে নয়। এইসব জীবনের জয়গান গাইতে গাইতেই উন্নত প্রযুক্তির দিকে এগোতে হবে আমাদের। তবেই পূর্ণ হবে আমাদের পথ চলা। উত্তম মাহাত, সম্পাদক যৌথতা ভেঙ্গে যায় ( চতুর্থ কিস্তি) নির্মল হালদার আমি যদি চিৎকার করে অথবা নিঃশব্দে উচ্চারণ করতাম, আমার হাতে নাই ভুবনের ভার------তাহলে কী বিষ্ণুপুর থেকে এক জনৈক কবি আমার খামারে আসতে পারতো? বাঁকুড়া শহর থেকে স্বরূপ চন্দ্র আসতে পারতো?           এরা দুজনেই আমাকে ভুলে গেছে। যা স্বাভাবিক।          বিষ্ণুপুরের ঐ জনৈক কবি আমার সর্বনাশও করেছে। আমার কাছ থেকে একবার দু ফর্মার কবিতা নিয়ে গেল। সে প্রকাশ করবে আমার একটি বই। বই তো হলোই না পান্ডুলিপি খুঁজতে গেলে অন্য কথার দিকে চলে যায়। বাংলা কবিতার বাজারে এই নোংরামিও চলে।            সেই কবিতাগুলিও আমার কাছে নেই। বিশ্বাস করে দিয়েছিল...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। ঐতিহাসিক নিদর্শন ।। মধুপর্ণা কর্মকার

ছবি
২৩ কার্তিক ১৪২৭ / ৯ নভেম্বর ২০২০ আমরা, অরন্ধনের বন্ধুরা কেবলমাত্র সাহিত্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চাইনি কখনো। আমাদের ডানার বিস্তার ঘটুক শিল্পের বিভিন্ন অঙ্গনে এবং বিভিন্ন বিভাগের শিল্পীদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ বা সেতুবন্ধন গড়ে উঠুক, এই প্রয়াসে মগ্ন রয়েছি সব সময়। সকলের সঙ্গে সকলের যোগাযোগ গড়ে উঠলে ভিন্ন বিভাগের সৃষ্ট শিল্পকর্ম অনুধাবন করতে সক্ষম হয়ে উঠব আমরা। তাই আমরা চাই ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন বিভাগের বিষয় বস্তু নিয়ে আসতে। এই সংস্করণের জন্য ঐতিহাসিক নিদর্শনের কিছু ছবি সংগ্রহ করেছেন মধুপর্ণা কর্মকার। উত্তম মাহাত, সম্পাদক     রাজা বীরসিংহ পত্তন করেছিলেন রাজনগরের। তেরশ শতাব্দীর আগে রাজনগর ছিল বীরভূমের রাজধানী। তারপর পাঠান রাজত্বে রাজা বদলালাে। একসময়ের “বাংলার প্রবেশপথ” রাজনগরের চতুর্দিকে ছড়িয়ে রয়েছে সেইসব দিনের নানা চিহ্ন। শতাব্দীর পর শতাব্দী একে একে বয়ে গেছে। আর ইমামবাড়া, মতিচুর মসজিদ, কালিদহ, ক্রমশ ভেঙে পড়া রাজবাড়ি, বারুদখানা রাজনগরে জনজীবনের ভিতরে সময়ের দাগ নিয়ে একাত্ম হয়ে রয়েছে এখনও। সপ্তদশ শতাব্দীর পূর্বে নির্মিত টেরাকোটা সজ্জিত মতিচুর মসজিদ। বা...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। সন্দীপ কুমার

ছবি
    ৯ কার্তিক ১৪২৭/২৬ অক্টোবর ২০২০                            সন্দীপ কুমার    সন্দীপ কুমার- এর জন্ম ১৭ অক্টোবর, কলকাতায়, এ যাবৎ তাঁর চারটি একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী হয়েছে। প্রথম প্রদর্শনী বর্ধমান-এ, ২০০৩ সালে, ২০০৫ সালে দ্বিতীয় প্রদর্শনী, গগনেন্দ্র চিত্র প্রদর্শ-শালায়। শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর কলাভবনে তাঁর তৃতীয় প্রদর্শনী, ২০০৭ সালে। চতুর্থ প্রদর্শনীটি হয় ২০০৯ সালে "বইচিত্র" প্রদর্শনী কক্ষে। এছাড়া তাঁর তোলা আলোকচিত্র বাংলা ভাষার বিভিন্ন প্রথম শ্রেণীর সংবাদ ও ম্যাগাজিনে বহুবার মুদ্রিত হয়েছে। বর্তমান নিবাস কলকাতায়। তবে কলকাতার থেকে অধিক প্রিয় জেলা, পুরুলিয়া। এমনকি শান্তিনিকেতনের থেকেও পুরুলিয়াকে অধিক প্রাধান্য দিয়ে থাকেন তিনি, তা সে ফটোগ্রাফি হোক বা মনের প্রশান্তিতে! এছাড়া তিনি বেশ কয়েক বছর যাবৎ " সুরের জগৎ " নামে একটি গানের পত্রিকা সম্পাদনা করে আসছেন। বলা যেতে পারে বাংলা ভাষায় এই মুহূর্তে একমাত্র সঙ্গীত বিষয়ক পত্রিকা। মনফকিরা ও গাঙচিল প্রকাশনী থেকে "অজ্ঞাত ...