পোস্টগুলি

কবিতা, পর্ণা দাশগুপ্ত

ছবি
বর্ষার পাঁচালী পর্ণা দাশগুপ্ত সেদিন তুমুল বৃষ্টি ছিল। অপুকে কোলে নিয়ে মা চোখে সজল স্নেহ। কোমরে লাল গামছা জড়িয়ে বৃষ্টি ভেজা দুগ্গা .. আমিও ছিলাম আড়ালে বৃষ্টি পায়ে পায়ে। বাদলা হাওয়ায়। মূল পাতায় যান 

কবিতা, দেবযানী ঘোষাল

ছবি
জীবন্ত জীবাষ্ম দেবযানী ঘোষাল আমার অপ্রত্যাশিত কৌতুহলী মনটা আজ জীবন্ত জীবাষ্ম। ইচ্ছে হলেও খুলে দেখি না হৃদয়ের প্রকোষ্ঠদের কপাট যন্ত্রনায় রক্তাক্ত হব বলে। শুধু এক আকাশ নীলাভ ধুলিকনাকে প্রশ্রয় দিই কবে স্নাত হব সেদিনকার প্রভাতী রোদের স্বর্ণ প্রভায়। কবে ভিজবো শ্রাবন ধারায় চাতকের মত অহরহ।। কবে মাখবো সেদিনের মত বৈকালিক অস্তরাগের বিদায়ী রোদের পরশে। কবে ভিজবো ভরা পূর্ণিমার রূপোলী জোছনাতে মূল পাতায় যান 

কবিতা, গৌতম কুমার গুপ্ত

ছবি
গৌতম কুমার গুপ্তের কবিতা ১. নষ্ট হতে হতে নষ্ট হতে হতে যদি একবার ঘুরে দাঁড়াতে পারি শিকারী পাঞ্জার নখরেও উষ্ণ চাঁদের জ্যোৎস্না বিগলিত নৈবেদ্য ছড়াবো শেকলে বাঁধা ঐসব প্রাচীন গলগ্রহ বস্তাবন্দী সাধুবাদের কবচ কুন্ডলী ছিঁড়েখুঁড়ে ছুঁড়ে দেবো দূরত্বের বেনাগালে প্রশংসার্হ যা নর নামের উপাখ্যান এই গ্রহে একদা যা কুশল কারিগরী জীবিত চিহ্নিত তোষামদের গালিচা পেতে রাখা ছিল ধূলোময় অহংকারী পালিশে হারামী খিস্তির উপযুক্ত বলে আজ নিন্দার্হ হবে ইতোমধ্যে ভেঙে গিয়েছে নদীর পাড় সমুদ্রের সুবিশাল নষ্ট হয়েছে সরব দূরত্বের তফাতে ভিন্ন গড়েছে সামাজিক গাছ সবুজের শেষ হবে বলে প্যাপিরাসে লিখিত হচ্ছে এ তো বিনষ্টের উপক্রম তবু প্রার্থনা প্রভু যেন নষ্ট হতে হতে ঘুরে দাঁড়াতে পারি একবার শেষবারের মতো ২. ডাক না ডাকার মানে কেউ তো ডাকছে ডাকছে তো! শরীরে তার অলৌকিক বিনুনী অলকে ঘন নিশি অমানিশা না ভালবাসার মানে কেউ তো বাসছে বাসছে তো! হাতে তার হলুদ খচিত গোলাপ বুকের মধ্যে টের পাই আগামী জলবায়ু সে আমার নির্ণীত থৈ থৈ সে আমারই অনাহূত একান্ত রোদ্দুর ৩. উত্তরাধিকার ছিল না কোন জ্ঞাপন প্রতিশ্রুতিও নেই চাঁদের অভ্যাস চিরকালীন গান ভেঙে স্বর কন্ঠে আসীন নদ...

কবিতা, প্রীতম বিশ্বাস

ছবি
প্রীতম বিশ্বাসের কবিতা ১. আশ্রয় অতঃপর এসো, পাশে বসো৷ বিলি কেটে দিই চুলে৷ ধূসর ঝড় জমে আছে গহীনে; জাপটে ধরো পিতার হৃদয়ের মতো এ বুক৷ এ অসুখে আলিঙ্গন প্রয়োজন৷ কথা বলো না, মাথা রাখো বুকে, ঘুমাও, তোমার দু'চোখে শতাব্দীর না আসা ঘুম জেগে আছে, ঘুমাও। চোখের থেকে ভালো কোনো বিরহমূলক উপন্যাস নেই৷ নীরব পাঠ করি আমি, শব্দের কী প্রয়োজন! প্রতি পৃষ্ঠার পরতে পরতে মেঘ জমে আছে৷ ঝরুক, জামা-বুক ভিজে যাক আমার৷ যেভাবে হঠাৎ আসা বৃষ্টিতে পথিকের আশ্রয় অচেনা ছাউনি, মনে করো তেমনি আমি৷ বৃষ্টি শেষে মেঘ কেটে গেলে ঘরে ফিরে যেও। জেনো, ছাউনির কোনো দাবি নেই, থাকে না কখনো, পিতার মতো৷ ২. উপলব্ধি একটি দুঃখ থেকে আরেকটি দুঃখে পৌঁছানোর মধ্যবর্তী সময়কে সুখ বলে জেনেছি। সুখকে তাই অতিথি বলি দুঃখকে পরমাত্মীয়। জেনেছি, সহজে সহজকে যায় না বোঝা, শব্দের থেকে ধ্বনিময় হয় নিঃশব্দ। জেনেছি যায় না মাপা শূন্যের পরিধি। আমি তাই সহজের কাছে সরল হই, শব্দের কাছে নির্বাক, শূন্যের কাছে নত। ৩. অনুরোধ শব্দের চাবুক চালাও সারা দেহে ছেপে দাও তোমার কবিতাক্ষর। অথবা ছেনি দিয়ে খোদাই করো, সাজাও একের পর এক মরমিয়া শব্দগুলি। যাতে আমি হয়ে উঠি আদ্যপান্ত কবিতার বই। আ...

ছবি প্রদর্শ-শালা ।। আলোকচিত্র ।। সন্দীপ কুমার

ছবি
সন্দীপ কুমার। আমাদের বন্ধু।  আলোকচিত্র শিল্পী। একজন কবি। তিনি কলম দিয়ে যেমন লেখেন তেমনই ক্যামেরাও তাঁর কলম। ক্যামেরা ও কলমে তিনি শাদাকালো  রহস্য সৃষ্টি করেন।  তাঁর রহস্যের ভুবন তিন ভুবনের তিন কোণে। মাকড়সা জাল বুনলেও সেই সমস্ত কোণে কলমের আঁচড়। ক্যামেরার চোখ।  সন্দীপ কুমার আমাদের বন্ধু।  তাঁর ক্যামেরা ও কলম থেকে  আমরা শিল্পের শুশ্রূষা পাই। তাঁর  নিশান উড়ছে। উড়বেই। মূল পাতায় যান।

পঞ্চম বর্ষ ।। দ্বিতীয় ওয়েব সংস্করণ ।। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ ।। ২৭ মে ২০২৪

ছবি
বীজ বোনার কাজ শুরু হলে ব্যস্ততা বাড়ে চাষির। ব্যস্ততা বাড়ে মেঘের। আকাশ মাটির এই ব্যস্ততাই পরিপক্ক ফসলের দিকে নিয়ে যায় আমাদের।           গ্রীষ্মের দাবদাহ শেষে এই যে ঘাম ঝরা ব্যস্ততা, এই ব্যস্ততাই ধীর পায়ে দীর্ঘায়িত হতে হতে নিয়ে আসে হেমন্তের শীতল ছোঁয়া। নিয়ে আসে এক অপরূপ আনন্দ মুখর পরিবেশ। যে পরিবেশের স্পর্শ পাওয়ার লোভে সারা বছর অপেক্ষায় থাকে মানুষ।            চারপাশে সোনালী ধান। রুনুঝুনু আওয়াজ মিশে যায় পাখিদের গানে। বাতাসের তানে। পাল্টে যায় জীবনের মানে আমাদের। আরও লক্ষ বছর অতিক্রান্ত করার সাধ জাগে। সাধ জাগে একটা সুবিশাল পরিবারের সদস্য হয়ে থাকতে জন্ম জন্মান্তর। মানুষের সাথে সাথে হাঁস, মুরগি, বকনা বাছুর, কেন্নো, গোবরে পোকা এবং মাঝে মাঝে বিড়ালেরাও ঘুরে বেড়ায় যে আঙিনায়। যে আঙিনায় বছরের একটা নির্দিষ্ট সময়ে এসে নির্ভয়ে বাসা বাঁধে টুনটুনি পাখি।            সেই আঙিনা ছাড়া সুখের এই মৌলিকতা আর কোথায়?              উত্তম মাহাত, সম্পাদক ______________________________________________ যাঁদের লেখায় সমৃদ্ধ হলো এই সংস্করণ ______________________________________________ দুর্গা দত্ত...

পঞ্চম বর্ষ ।। প্রথম ওয়েব সংস্করণ ।। ২৩ বৈশাখ ১৪৩১ ।। ৬ মে ২০২৪

ছবি
এমন একটা দোলাচলের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছি যেখানে সত্য মিথ্যার বিচার করা কঠিন হয়ে উঠছে। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা অহরহ মিথ্যাকেই সত্য হিসেবে প্রতিস্থাপন করে চলেছে জনসমক্ষে। তারা ভেবেই নিয়েছে, মানুষ সম্পূর্ণরূপে মুর্খ, ব্যক্তিত্বহীন। যেভাবে বোঝানো হবে, সেভাবেই বুঝবে। যেভাবে চালানো হবে সেভাবেই চলবে। হাতে অবস্থানরত মাটির পুতুলের মতো হাতের ইশারায় নাচবে সবসময়। কিন্তু একটা বিষয় মনে নেই তাদের, মানুষ বা জনগণ হাঁসের ঠোঁটের মতো। একসঙ্গে জল ও খাদ্যকে ঠোঁটে পুরে খাদ্যকে আলাদা করে জলকে অনায়াসে ফেলে দেয়। সেই ক্ষমতা তাদের আছে। এবং ওই ক্ষমতা আছে বলেই ভারতবর্ষে বহু সময় বহু বহিরাগত জাতি রাজত্ব করতে এলেও শেষ পর্যন্ত এখানকার মানুষ স্বাধীন। এবং এই স্বাধীনতা তাদের রক্তের কণায় কণায় রয়েছে। বর্তমানের সমস্ত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে আবার এখানকার মানুষ মাথা তুলে দাঁড়াবে এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।             পদযাত্রা শুরুও হয়েছে। একে একে তেহারে জায়গা হচ্ছে নাটের গুরুদের। বাংলা তথা দেশকে যারা চুরির পিঠস্থান বলে ভাবার দুঃসাহস দেখিয়েছিল। তাদের পায়ের ধুলি পড়ছে না আর বাংলার রাস্তায় রাস্তায়। যে রাস্তায়...